শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: কিশোরী দেখলেই বেসামাল হয়ে যেতেন ধর্মগুরু আশারাম বাপু। কৌশলে তাদের খামার বাড়িতে নিয়ে তাদের সঙ্গে শারিরীক সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। রাজী না হলে ধর্ষণ করতেন। যৌন নিপীড়নের ঘটনায় ধর্মগুরু আশারাম বাপুর বিরুদ্ধে পুরোদমে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এখন গডম্যানের প্যাচগুলো একে একে সবকটা খোলার চেষ্টা করছে যোধপুর পুলিশ।
গ্রেপ্তারের পর ভারতের স্বঘোষিত ধর্মগুরু আশারাম বাপুর নারী কেলেঙ্কারির অসংখ্য ঘটনা বের হতে শুরু করেছে একের পর এক। জানা যায়, ধ্যানকক্ষে মহিলা শিষ্যদের সঙ্গে ঘনিষ্ট মুহূর্তের ভিডিও করে রাখতেন আশারাম বাপু। এসব ভিডিও ব্যবহার করে শিষ্যদের ব্ল্যাকমেইল করা হতো। এ কাজে তার শিষ্যরা তাকে সহযোগিতা করতেন।
জানা যায়, প্রতিদিন একাধিক কিশোরীর শয্যাসঙ্গী হওয়ার পর আশারাম তার বিশ্বস্ত একটি লোকের মাধ্যমে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীদের গর্ভপাতের ব্যবস্থা করে দিতেন। আশারামের আশ্রমের প্রশাসক হিসাবে পরিচিত ধরুবই অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীদের হাসপাতালে নিয়ে যেতেন। গর্ভপাতের সব ব্যবস্থা করা হতো সেখানেই।