বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:১২

বিএনপির শীর্ষ পাচ নেতা কারাগারে

বিএনপির শীর্ষ পাচ নেতা কারাগারে

শীর্ষবিন্দু নিউজ: বি্এনপির পাচ নেতার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি পোড়ানো ও ভাংচুরের দুই মামলায় শীর্ষ এই নেতাদের কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বিএনপি নেতাদের পক্ষে জামিন চাওয়া হলে সে আবেদন নাকচ করে ঢাকা মহানগর হাকিম জয়নাব বেগম তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আধা ঘণ্টা আগে তাদের মিন্টো রোডে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয় থেকে বের করা হয়। শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তারের পর থেকে তারা সেখানেই ছিলেন। হরতালের ঘোষণা দেয়ার পর আটক এই পাঁচ নেতাকে নিয়ে শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে একটি প্রিজন ভ্যানে করে পুরান ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে নেয়া হয়। দুই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিএনপি নেতাদের ১০ দিন হেফাজতে চেয়েছিল পুলিশ। কিন্তু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় এর শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি করেছে আদালত।

মামলায় বলা হয়, গত ৫ নভেম্বর ১৮ দলীয় জোটের ডাকা হরতালে বিএনপিসহ জোটের নেতাকর্মীরা কমলাপুর নিউ আনার বেকারি হোটেলের সামনে হাতবোমা বিস্ফোরণ ঘটায় এবং পুলিশের ওপর আক্রমণ করে। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে তিনটি অবিস্ফোরিত হাতবোমা এবং বিস্ফোরিত ৩/৪টি বোমার খোসা উদ্ধার করা হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর এসআই হুমায়ুন কবির হওলাদার বাদি হয়ে ৫৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৮০-৯০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। এর তদন্ত কর্মকর্তা এসআই খন্দকার জাহিদ আলী।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২৪ সেপ্টেম্বর তথ্যমন্ত্রীর বাসায় বোমা হামলার মামলায় অভিযোগপত্র দাখিলের প্রতিবাদে ১৮ দলীয় জোটের ঝটিকা মিছিল থেকে মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুলের সামনে হাতবোমা ফাটানো হয়। ওই সময় পাঁচটি গাড়ি ভাংচুর করা হয় এবং গাড়ির চালকদের হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, এম কে আনোয়ার ও রফিকুল ইসলাম মিয়া, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল মিন্টু এবং বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে এই দুই মামলারই আসামি করা হল।

বিএনপি নেতাদের হাজির করা নিয়ে আদালত প্রাঙ্গণে উত্তেজনা ছিল। বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা থেমে থেমে সরকাবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন। সকালে আদালত পাড়ায় তিনটি হাতবোমার বিস্ফোরণও ঘটে। বিএনপি নেতাদের পক্ষে আদালতে ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক-উল- হক, বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ জে মোহাম্মদ আলী, বিএনপির আইনজীবীদের নেতা সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকার, মো. মহসিন মিয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি আবদুল্লাহ আবু, ঢাকা জেলা জজ আদালতের পিপি খন্দকার আব্দুল মান্নান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, বিএনপি নেতাদের আটকে দেশ আরো অনিশ্চয়তার দিকে দাবীত হলো। এতে সংঘাত আরো বাড়বে। যা কেবল দেশেরই ক্ষতির কারণ। এরই মধ্যে যুক্তরাজ্য  এক বিবৃতির মাধ্যমে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে। যা দেশের জন্য ক্ষতির কারণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026