বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:২১

জি নিউজের রিপোর্ট: বিএনপি-জামায়াতকে সমর্থন দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব ও পাকিস্তান

জি নিউজের রিপোর্ট: বিএনপি-জামায়াতকে সমর্থন দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব ও পাকিস্তান

শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রতি সমর্থন দিতে একত্রিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও পাকিস্তান। আগামী বছর বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন। তার আগে নিত্যদিনের হরতাল ও সহিংসতা করছে বিরোধী দল বিএনপি ও তার মিত্র ইসলামপন্থি জামায়াতে ইসলামী। এ অবস্থায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঝড় সৃষ্টি হচ্ছে। এমন সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন ভারতের বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্যে রয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব পিনাক চক্রবর্তী, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শ্যাম শরণ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন জি নিউজ।

এতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে ‘বাংলাদেশ: প্রসপেক্টাস অব ডেমোক্রেটিক কনসোলিডেশন’ শীর্ষক দিনব্যাপী গোলটেবিল বৈঠক হয়। এতে বাংলাদেশ বিষয়ে জানেন এমন সরকারি পর্যায়ের বিশেষজ্ঞরা মতামত দেন। তারা বলেন, বাংলাদেশে রয়েছে ভাল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। ভারতের চেয়ে এখানে সামাজিক ও মানব উন্নয়ন সূচক ভাল। একই সময়ে এর গণতন্ত্রও ভাল। ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের জন্য এগুলো নিশ্চিত হওয়ার মতো বিষয়।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সবেমাত্র সচিব পদ থেকে অবসরে গিয়েছেন পিনাক চক্রবর্তী। তিনি ওই বৈঠকে বলেন, খালেদা জিয়া ও জামায়াতের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও পাকিস্তান। তারা এদের বিষয়ে একত্রিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে জামায়াতে ইসলামী একটি উদার ইসলামী পার্টি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের এ যুক্তি ত্রুটিপূর্ণ। তারা শুধু জামায়াতকে হালে পানি পাওয়াতে সহায়তা করছে।

বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশ নিয়ে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীকে অযোগ্য ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন। তিনি বলেন, পাকিস্তানের জামায়াতের সঙ্গে এই জামায়াতের রয়েছে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক। সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। তারা অর্থও পাচ্ছে। তিনি বলেন, জামায়াত বলে নারীদের পর্দানশীন হতে। তাদেরকে ঘরের ভিতর থাকতে বলে। তারা টার্গেট করে সংখ্যালঘুদের। তারা যে পশ্চাৎমুখী আদর্শ নিয়ে চলে তা থেকে তারা বেরিয়ে আসেনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়া দু’জনের কেউই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির প্রতি জনগণের আস্থা সৃষ্টি করতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, যখন ঘটনাপ্রবাহে সেনাবাহিনীর ছায়া দেখা যায় তখন বিরোধী দলগুলো তাদেরকে আহ্বান জানায় ক্ষমতা দখল করতে। এতে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাংলাদেশে অনেকগুলো অভ্যুত্থান হয়েছে।

এর মধ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট হত্যা করা হয় বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে। শ্যাম শরণ বলেন, মৌলবাদী শক্তির সঙ্গে সংঘাত সত্ত্বেও বাংলাদেশে গণতন্ত্র স্থিতিশীল হয়েছে। তিনি বলেন, ভারত তার পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্তে জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে অনেকটা নিশ্চয়তা মিলেছে।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026