ইমরান আলী: যত বয়সী হই আর তরুণই হই না কেন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আক্ষেপের শেষ থাকে না আমাদের। শরীর-মন ভালো থাকলেও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আমাদের একটাই আক্ষেপ। যদি আরো তরুণ থাকতে পারতাম।
আসলে বয়সের ভারে আমাদেরকে এক সময় বুড়িয়ে যেতেই হয়। অনেকেই বলে থাকেন মন সতেজ তো বয়স ফ্যাক্ট নয়। কিন্তু প্রাত্যহিক জীবনে যদি খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে সবকিছুতে কিছুটা নিয়ম মেনে চলতে পারি তাহলে থাকতে পারি আরও চির তরুণ।
আসুন জেনে নেয়া যাক কয়েকটি টিপস
১. সকালে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস অবশ্যই করুন। খালি পেটে দু’ এক গ্লাস পানি পান করুন। বাথরুম থেকে ফিরেও সম্ভব হলে পানি পান করুন। পান করতে পারেন দুধ ছাড়া এক কাপ চা। অতিরিক্তক্ত গরম চা পান না করাই উত্তম। সারাদিনে পানি পান করুন যতটুকু পারেন।
২. দুধ চা’র পরিবর্তে রঙ চা পানের অভ্যাস গড়ুন। দুধ-চিনি ছাড়া হালকা গরম চা হচ্ছে আড়়াই হাজার বছর আগের একটি চাইনিজ হারবাল মেডিসিন । চায়ে় রয়েছে এমন কিছু উপাদান আছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এ ছাড়়াও আছে বহুগুণ। তবে যে চা প্রক্রিয়়াজাত হয়়নি, সে চায়ে়র গুণাগুণই অপেক্ষাকৃত উত্তম।
৩. দিনে১ হাজার মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খেলে মানুষ চির তরুণ থাকে। অনেকে ভিটামিন ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল খায়। আসলে ভিটামিনের জন্য ফলমূলের বিকল্প কিইবা হতে পারে। তাই প্রতিদিন অন্তত ফলমূল খাওয়া উচিত। লেবুতো অবশ্যই। আমলকি, লেবু, টমেটো, কমলা, পেয়়ারা, টক স্বাদের ফলে বিভিন্ন মাত্রায়় ভিটামিন সি রয়ে়ছে। লেটুস পাতা, পুদিনা পাতা বেশ উপকারী।
৪. পরিহার করুন গরুর লাল মাংস, মহিষের মাংস, ফার্মের মুরগি থেকেও সাবধান। তবে কবুতরের মাংস রক্তক্ত তৈরিতে বেশ উপকারী। কাঁচা লবণকে না বলুন। উচ্চ রক্তক্ত চাপ হওয়া থেকে সতর্ক হোন।
৫. যদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না হয় তবে চেষ্টা করুন প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেতে।
৬. প্রচুর পরিমাণে ছোট মাছ খান। অনেকে মাছের কাটা খান। যা ঠিক নয়। পাকস্থলীতে সমস্যা হতে পারে। সাধ্যে কুলালে চেষ্টা করুন সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার।
৭. সূর্যমুখী ফুলের বীজ হচ্ছে হার্টের ভেষজ ওষুধ। রান্নায়় সূর্যমুখী তেল ব্যবহার করলে হার্টের সুরক্ষা হয়়, হার্টের অসুখ থাকলে তা সারাতে সাহায্য করে।
৮. প্রতিদিন হাঁটুন, সাঁতার কাটুন, চালান সাইকেল। সুস্থ থাকতে শারীরিক গঠন ঠিক রাখতে এর বিকল্প নেই।