শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:০১

সিসিক নির্বাচনী হালচাল: নির্বাচন নিয়ে আমেজে সিলেট (পর্ব-২)

সিসিক নির্বাচনী হালচাল: নির্বাচন নিয়ে আমেজে সিলেট (পর্ব-২)

শীর্ষবিন্দু নিউজ: চায়ের বাগানের মনোমুগ্ধকর পরিবেশ ও শান্তিময় ছায়ার কথা মনে হলে চোখের সামনে ভেসে ওঠে দুটি পাতা একটি কুড়ির দেশ সিলেটের কথা।

সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের যাত্রা শুরু। আর এই জার্নি শেষ হবে ৩০শে জুলাই। আনুষ্ঠানিক তফশিল ঘোষণার পর মনোনয়ন দাখিলের মধ্য দিয়ে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। অবশ্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার আগেই নির্বাচনী টাইমলাইন ঘোষণা করেছিলেন।

এ কারণে সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে প্রার্থীরা আগে থেকেই মাঠে সক্রিয়। নির্বাচন নিয়ে তিন ওয়ার্ড মিলে ধারাবাহিক প্রতিবেদনে আজ তোলে ধরা হলো সিলেট সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত ৪নং ওয়ার্ড, ৫নং ওয়ার্ড ও ৬নং ওয়ার্ডের নির্বাচনী কার্যকলাপ।

৪নং ওয়ার্ড: সিলেট নগরীর দামী এলাকা বলে খ্যাত হাউজিং এস্টেট, আর সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকা আম্বরখানার একাংশ ছাড়াও মনিপুরীপাড়া, দত্তপাড়া, কোনাপাড়া, মজুমদারি, হানিটোলা, পীর মহল্লা, আম্বরখানা, দর্শনদেউড়ী, বনশ্রী আবাসিক এলাকা নিয়ে গঠিত সিটি কর্পোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ড।

সিটি কর্পোরেশনের এই ওয়ার্ডে বিগত কয়েক বৎসর ধরে ক্ষমতার রাজত্বে আসন গেড়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব জোর পূর্বক দায়িত্ব নিতে অনেক কাঠখড় পুড়াতে হয়েছে তাকে। সদ্য সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে দ্বন্দের এক পর্যায়ে তাকে আদালত পর্যন্ত যেতে হয়। যদিও তিনি তেমন একটি সুবিধা করতে পারেননি নিজের দাবী আদায়ে। এ কারণে মেয়র পদপ্রার্থী বিএনপি নেতা বর্তমান মেয়র আরিফুল হকের সাথে কিছুটা দূরত্বেরও সৃষ্টি হয়।

তবে এলাকায় তার অনেক জনপ্রিয়তা রয়েছে। বিশেষ করে মুরব্বিরা তাকে অনেক স্নেহ করেন এলাকার উন্নয়নে তাকে সব সময় কাছেই পান। তবে এবার বোধহয় লড়াই এতটা সহজ হবে না। নতুন নতুন প্রাথী আর জোর প্রচারণা বলছে, এবারে নির্বাচনে চ্যালেঞ্জের সামনেই রয়েছেন কয়েস লোদী।

হ্যাটট্রিক বিজয়ী এই কাউন্সিলর ছাড়াও এবার নির্বাচনে লড়াইয়ে মাঠে নামছেন আরোও বেশ কয়েকজন প্রার্থী। এর মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ক্লিন ইমেজ বলে খ্যাত জাবের আহমদ চৌধুরী। কাউন্সিলর পদপ্রার্থী জাবেরের পারিবারিকভাবে আলাদা একটা ঐতিহ্য রয়েছে। এদিক দিয়ে তার নির্বাচনী অবস্থান অনেকটা শক্ত বলে ধারনা করছেন এলাকাবাসী।

এই ওয়ার্ড থেকে ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম সুমন নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করার কথা ছিল। কিন্তু তিনি আকস্মিক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। বেশ কিছু প্রার্থীর মধ্যে আলোচনায়ে আছেন-বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী সোহাদ রব চৌধুরী।

প্রচারণার মাঠে থাকা অন্য প্রার্থীরা হলেন সাবেক জাসদ ছাত্রলীগ নেতা ও বর্তমানে আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত তরুণ সমাজসেবী কামরুজ্জামান বাবু, শামীম মুজমদার, আকরার বখত মজুমদার, ছাত্রদল নেতা ওমর মাহবুব ও শ্রমিক লীগ নেতা শেখ তোফায়েল আহমদ সেপুল।

তবে সেপুলের অনেক বদনাম রয়েছে এলাকায়। তার বড় ভাই এক মহিলা কর্মচারীকে চুরির অভিযোগ এনে উন্মুক্তভাবে রাস্তায় কাপড় ধরে টানাটানি করেন পরবর্তীতে সেপুল ও তার পরিবারের জন্য একটি ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়ায়। যা এই নির্বাচনেও তার ওপর প্রভাব পড়বে বলে এলাকাবাসীর ধারণা।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সর্বশেষ হালনাগাদকৃত তালিকানুযায়ী ৪ নং ওয়ার্ডে এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার ৮ হাজার ৫১৮ জন। তারমধ্যে পুরুষ ভোটার ৪ হাজার ৬৬৩ জন। মহিলা ভোটার ৩ হাজার ৮৫৫ জন।

বিগত সিটি নির্বাচনে এই ওয়ার্ডের ভোটার ছিলেন ৭ হাজার ৯৫৬ জন। পুরুষ ভোটার ছিলেন ৪ হাজার ৪১০ জন। আর মহিলা ভোটার ছিলেন ৩ হাজার ৫৪৬ জন। দ্বিতীয় সিটি নির্বাচনে এই ওয়ার্ডের মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ১২৯ জন।

৫নং ওয়ার্ড: সিলেটের সুউচ্চ টিলার চূড়ায় হযরত শাহজালালের সফরসঙ্গী ৩৬০ আউলিয়ার অন্যতম সফরসঙ্গী হযরত চাষনীপীর (রহ.) চাষনীপীরের মাজার। আর এ মাজারের চারপাশ ঘিরে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৫ নং ওয়ার্ডের অবস্থান।

নির্বাচনী এলাকা হিসেবে ৫ নং ওয়ার্ডেকে সাজানো হয়েছে বেশ কিছু এলাকার সমন্বয়ে। নির্বাচনী এলাকা বিস্তৃত হয়েছে নগরীর বড়বাজার আবাসিক এলাকা গলির পূর্বাংশ, খাসদবীর দারুস সালাম মাদ্রাসা এলাকা, পানিভবন আবাসিক এলাকা, গোয়াইটুলা, ইলেকট্রিক সাপ্লাই, রায় হোসেন দিগন্ত আবাসিক এলাকা, কলবাখানি, শাহী ঈদগাহ-হাজারীবাগ এলাকা নিয়েই ৫ নম্বর ওয়ার্ডের অবস্থান।

এছাড়াও শাহী ঈদগাহ দলদলি বাগানের সীমানা পেরিয়ে পশ্চিম দিকে আম্বরখানা পয়েন্ট পর্যন্ত হাতের ডান দিক এবং আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে উত্তর দিকে বিমানবন্দর সড়ক হয়ে বড়বাজার পয়েন্ট পর্যন্ত।

এ ওয়ার্ডে দারুন জনপ্রিয় টানা দুইবার সিটি নির্বাচনে বিজয়ী সদ্য সাবেক  কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ। তিনি একজন সাংবাদিক যার হাতেখড়ি সিলেটের প্রাচীন সংবাদপত্র ‘আজকের সিলেট‘ এর হাত ধরে। পারিবারিকভাবেও রেজওয়ানের রয়েছে আলাদা খ্যাতি। অনেক স্বনামধন্য পরিবার হিসেবে এলাকায় রয়েছে তাদের আলাদা একটা পরিচয়। রেজওয়ানের জনপ্রিয়তায় এক সময় স্থানীয় ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ফরহাদ চৌধুরী শামীমের ওপর কোর্টের সমায়িক নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে তার ওপর ৬নং ওয়ার্ডের ভারপ্রাপ্ত কাউন্সিলারের দায়িত্ব দেয়া হয়। রেজওয়ান খুবই সুনামের সাথে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেন।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাসে এই ওয়ার্ডে ভোটের মাঠে নতুন একটি রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। এমনকি পৌরসভার ইতিহাসে এর আগে কোনো নারীই সাধারণ ওয়ার্ডে প্রার্থী হননি। ৫ নং ওয়ার্ড ভেঙে দিচ্ছে সে রেকর্ড। এ ওয়ার্ড থেকে একমাত্র নারী প্রার্থী নীলুফা সুলতানা চৌধুরী নোলক লিপি কাউন্সিলর পুরষদের সাথে লড়াইয়ে নেমেছেন।

একই পদে একই ওয়ার্ডে নির্বাচনেও প্রার্থী হয়েছেন আরো বেশ কয়েকজন প্রার্থী। সিটি নির্বাচনে নতুন প্রার্থী হলেও নতুনরাও খুব একটা অচেনা নন। এদের মধ্যে কেউ কেউ আগের নির্বাচনেও প্রার্থী ছিলেন। সব মিলিয়ে বেশ কজন শক্ত প্রার্থী রয়েছেন এবার মাঠে।

বিগত কয়েক বৎসর ধরে একই ওয়ার্ডে প্রতিযোগিতা করে যাচ্ছেন এমএ মুগনী খোকা। প্রতিবার বিজয়ে তেমন একটা সুবিধা করতে না পারলেও হাল ছাড়েননি এবারও। এছাড়া অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে আছেন- জামায়াত নেতা কাজী নজমুল আহমদ, আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ জুবের খান, যুবলীগ নেতা রিমাদ আহমদ রুবেল, স্থানীয় বিএনপি নেতা হুমায়ূন আহমদ মাসুক, আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুর রহমান পাপ্পু, তরুণ সমাজসেবী আবদুল আউয়াল টিটু ছাড়াও সাবেক কমিশনার কামাল আহমদ। কামাল এক সময় নয় বছর সিটি কর্পোরেশনের কমিশনার ছিলেন। ঐ সময় সিলেট পৌরসভা থেকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনে রুপান্তর হয়েছিল।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সর্বশেষ হালনাগাদকৃত তালিকানুযায়ী ৫ নং ওয়ার্ডের মোট ভোটার ১৪ হাজার ৫৮৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ৫০০ জন। আর নারী ভোটার ৭ হাজার ৮৬ জন। সিলেট সিটি কর্পোরেশন তৃতীয় নির্বাচনে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোট ভোটার সংখ্যা ছিলো ১৩ হাজার ৫৯৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৭ হাজার ১ জন। আর মহিলা ভোটার ছিলেন ৬ হাজার ৫৯৭ জন।

৬নং ওয়ার্ড: চায়ের বাগানের মনোমুগ্ধকর পরিবেশের শান্তিময় ছায়ার কথা মনে হলে চোখের সামনে ভেসে ওঠে সিলেটের কথা। সিলেট শহরের শুরুতে সবুজ প্রকৃতি পেরুলেই সামনে চোখে পড়বে শহরের অবস্থান যেখান থেকে শুরু হয়েছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনী এলাকা ৬নং ওয়ার্ডের অবস্থান।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত ৬নং ওয়ার্ডের সীমানা- চৌকিদেখী পূর্ব, সৈয়দ মুগনী ইলাশকান্দি, বাদামবাগিচা, পীরমহল্লা পূর্ব, চৌকিদেখী পশ্চিম, বাশবাড়ি যেখানে শেষ হয়ে চা বাগানের শেষ অবস্থান।

৬নং ওয়ার্ডের অর্ন্তগত চৌকিদেখী এলাকার প্রধান সড়ক ভিআইপি সড়ক নামে পরিচিতি থাকলেও এর পূর্ণাঙ্গ রুপ পায় বিএনপি সরকারের আমলে। তৎকালীন সরকারের অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের প্রচেষ্টায় ও সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কারণে এই সড়কে উন্নত মানের ঢালাই দিয়ে এর অফিসিয়াল নামকরণ করা হয় সিলেট ভিআইপি রোড।

এ ভিআইপি রোডের পাশেই শুয়ে আছেন সিলেটবিজয়ী বীর সাধক পুরুষ হযরত শাহজালালের (রহ.) প্রধান সঙ্গী সেনাপতি হযরত নাসির উদ্দিন (রহ.)। এ ওয়ার্ডের বিভিন্ন পথ ধরেই সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে হয়।

এ ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর ও নগর উন্নয়ন কমিটির সাবেক সভাপতি ফরহাদ চৌধুরী শামীম বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ইতিহাসে যতোবারই নির্বাচন হয়েছে ততোবারই নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে সদ্য সাবেক কাউন্সিলর হয়েছেন ফরহাদ চৌধুরী শামীম। তবে গত বছরের নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দী তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের ভিত্তিতে কাউন্সিলর শামীমকে সাময়িক বরখাস্ত হয়ে হয়। পরববতীতে আইনী লড়াইয়ে জিতে তিনি পুনরায় ক্ষমতায় আসিন হন।

কাউন্সিলর শামীমকে মুলত এলাকায় নিয়ে আসেন এলাকার বিশিষ্ট মুরুব্বি ও মরহুম আব্দুল খালিক বাবুল। যার হাত ধরে শামীম এই ওয়ার্ডে তার একা শক্ত অবস্থান করে নেন।

পরবর্তীতে একই এলাকার বিশিষ্ঠ মুরুব্বি ও ধন্যমান্য ব্যাক্তি আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন আনু মিয়াও সমর্থন জানালেন। কাউন্সিলর শামীমকে তখন আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। শুধুই সামনে এগিয়ে চলা। আজ অবধি তিনি এগিয়ে চলছেন।

কাউন্সিলার শামীমের পারিবারিক আলাদা একটা মর্যাদাপূর্ন অবস্থান রয়েছে তার নিজ নির্বাচনী এলকায়। তার বাবা মরহুম আলাউদ্দিন চৌধুরী ছিলেন একজন বিশিষ্ট সমাজসেবক। সিলেটর দাবী-দাওয়া আদায়ে তার অগ্রনী ভুমিকা সিলেটের মানুষ আজও ভুলেনি।

একই নির্বাচনে শামীম ছাড়াও আরোও কয়েকজন প্রার্থী অংশগ্রহণ করছেন। এদের মধ্যে- মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী। আগেরবার ফরহাদ শামীমের সাথে তাঁরই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিলো।

কাউন্সিলার পদপ্রার্থী এমদাদ হোসেন চৌধুরী মুলত; একজন ব্যবসায়ী ও লন্ডন প্রবাসী। এলাকায় তার পরিবারের একটা শক্ত অবস্থান ছিল তার বাবা তজম্মুল হোসেন চৌধুরী জীবিত থাকাকালে। পরবর্তীতে বাবার মৃত্যুর পর তাদের পরিবারের সুনাম অক্ষুরন রাখতে হাল ধরেন তিনি।

আগেরবারের নির্বাচনের আরেক প্রার্থী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও একটি বেসরকারি হাসপাতালের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ আতিকুর রব চৌধুরীও এবারের নির্বাচনী লড়াইয়ে আছেন। নতুন প্রার্থী হিসেবে এ ওয়ার্ডে প্রচারণা চালাচ্ছেন খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর শাখার সদস্য ও বিমানবন্দর থানা সভাপতিও জোবায়ের আহমদ।

৬ নং ওয়ার্ডের সীমান শুরু হয়েছে চা বাগানের শেষ অঞ্চল বলে খ্যাত চৌকিদেখীর ব্রিজ থেকে ডান-বামে পূর্ব চৌকিদেখী ও পশ্চিম চৌকিদেখী পুরোটাজুড়ে। পশ্চিমে হাউজিং এস্টেটের ব্রিজ থেকে উত্তরদিকে পীরমহল্লা রোড হয়ে লাক্কাতুরা চা বাগানের সীমানা পর্যন্ত। উত্তরে আম্বরখানা মৌজার শেষ প্রান্ত দক্ষিণে পীরমহল্লা রোড হয়ে মালনীছড়া পর্যন্ত এ ওয়ার্ডের সীমানা।

নির্বাচন কমিশন অনুযায়ী সর্বশেষ হালনাগাদকৃত ভোটার তালিকানুযায়ী ৬ নং ওয়ার্ডে পুরুষ ভোটার ৬ হাজার ৪৯৬ জন। আর মহিলা ভোটার ৫ হাজার ৮৪২ জন। এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১২ হাজার ৩৩৮ জন।

বিগত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এই ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ৫০৮ জন। এর মধ্যে মহিলা ছিলেন ৫ হাজার ৪১১ জন। আর পুরুষ ভোটার ছিলেন ৬ হাজার ৯৭ জন। এর আগেও দ্বিতীয় সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এই ওয়ার্ডের মোট ভোটার ছিল ১০ হাজার ৪২৮ জন।

নোট: সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে শীর্ষবিন্দু নিউজে ‘সিসিক নির্বাচনী হালচাল‘ প্রকাশিত হবে ধারাবহিকভাবে। এতে যে কোন কেউ কোন তথ্য বা খবর দিয়ে শীর্ষবিন্দুকে সহায়তা করতে আহবান জানানো যাচ্ছে। ইমেইল: news@shirshobindu.com




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026