সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০২:৫৬

প্রতিদান চাইও না

প্রতিদান চাইও না

শিশু ভুমিষ্ট হওয়ার পর অজানা আতংকে  চিৎকার করে কাঁদে। তখন  একমাত্র গর্ভধারিণী মা  অভয় দিয়ে তাকে বূকে জড়িয়ে ধরেন। সন্তানকে পরম আদর যতনে মানুষ করেন। কিন্তু কি জানো! একদিন সেই সন্তানই তাকে  ভুলে যায়। আর এই পৃথিবীতে ভুলে যাওয়া মানুষের সংখ্যাই বেশি।

জীবনে চলার পথে হাজার মানুষের সাথে পরিচয় হবে। প্রয়োজনে তারা পাশে আসবে। তোমাকে ভালোবাসবে। কিন্তু প্রয়োজন ও স্বার্থটা যখনই ফুরাবে তখন আর পাশে থাকবে না।

আমাদের সমাজে অনেক মানুষ দেখবে। যারা মানুষের উপকার ও ভাল কাজ করে। কিন্তু অনেকেই এর জন্য খোঁটা দেয়। কিন্তু একথা একবার ভেবে দেখো, আমাদের সৃষ্টিকর্তা হাজার নেয়ামত দিয়েছেন। কিন্তু এর জন্য তিনি কোন প্রতিদানই চাননি!

জীবনে কারো উপকার করে প্রতিদান চেয়ও না। সে মানুষই মিথ‍্যুক, স্বার্থপর যারা দু’মুখি  স্বভাবের। এদেরকে প্রশ্রয় দিওনা। আর যারা তোমাকে আঘাত দেয়, সম্মান করতে জানেনা।পারলে এদের কাছ থেকে দুরে থাকা শ্রেয়।

কাউকে ভালোবাসলে হৃদয় থেকে ভালোবাসবে। উপকারের প্রতিদান চাইও না। কারণ পৃথিবীতেই যদি সব পেয়ে যাও, তবে পরকালের জন্য আর কি থাকবে?

কারো উপকার করার পরও কেউ যদি কষ্ট দেয়, মন খারপ করোনা। জীবনে এমন কাজ করবে, তুমি অনুপস্থিত থাকলেও তোমাকে যেন মানুষ  অনুভব করে।

আমরা অনেক সময় দোয়া চাই। আর এটাতো চাওয়ায় জিনিস নয়। তোমার মহৎ ও ভালো কাজের জন্য এমনিতে মানুষ অন্তর থেকে দোয়া করবে।

কখনো বেশি কষ্ট সহ‍্য করতে না পারলে একবার আকাশের দিকে তাকাবে। দেখবে সুন্দর আকাশের  বুকে ও সহসা ভীষণ ঝড় ওঠে। পৃথিবীকে  আধাঁরে ঢেকে দেয়। অবশেষে বৃষ্টি নামের কান্না হয়ে আকাশের কষ্ট গুলো দুর করে দেয়। মনের  দুঃখ কষ্ট গুলো কারো কাছে বলে লাভ নেই।

আর যদি বলতেই হয়, তবে তোমার সৃষ্টিকর্তাকে বলবে। তিনিই তোমাকে প্রশান্তি দেবেন। দেখবে তুমি অনেক শান্তি পাবে, পুলকিত হবে। আমার এ লেখাটি কেমন লাগলো, আশা করি ভালো লেগেছে।

লেখক: শিহাবুজ্জামান কামাল, সাংবাদিক, লন্ডন।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026