শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: মহামারী মানুষকে বিশ্বাস করিয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই পৃথিবীতে একের পর এক দুর্যোগ আসছে, কিন্তু মানুষের এই বিশ্বাসের সঙ্গে কার্যক্রমের দুরুত্ব যোজন যোজন বেশি। দ্য গার্ডিয়ান
ইউগভ-ক্যামব্রিজ গ্লোবালিজম প্রজেক্ট এর সমীক্ষায় বলা হয়, করোনা পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণ মানুষ করোনা পরবর্তী সময়ে ভ্রমণ করার পরিকল্পনা করছেন। জুলাই থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিশ্বের ২৫টি দেশের ২৬ হাজার মানুষের ওপর এই সমীক্ষা চালানো হয়। সমীক্ষায় উঠে আসে, গ্রীসের ৯১ শতাংশ বিশ্বাস করেন জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য মানুষই প্রধানত/আংশিক দায়ী।
এরপরই রয়েছে ব্রাজিল (৮৮ শতাংশ) চীন ও স্পেন (৮৭ শতাংশ), ব্রিটেন (৮৬ শতাংশ) জাপান (৮৫ শতাংশ)। তেলপ্রধানদেশ বা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোর অধিবাসীদেও মধ্যে এই বিশ্বাস তার চেয়ে কম, সৌদিআরবে (৫৭ শতাংশ), মিশর (৬৭ শতাংশ), যুক্তরাষ্ট্র (৬৯ শতাংশ)।
মানব-সৃষ্ট উষ্ণতাকে ‘ভুয়া’ বলে মনে করেন নাইজেরিয়ার (৩১ শতাংশ), সৌদিআরব ও যুক্তরাষ্ট্রের (২৭ শতাংশ) এবং ব্রিটেনের ৯ শতাংশ অধিবাসী। তবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় মানুষের আচরণগত পরিবর্তন আনার বিষয়ে দেশগুলোর মধ্যে ভিন্নতা দেখা গিয়েছে। ব্রিটেন, ইতালি, জার্মানি, চীন এবং ভারতের অধিবাসীরা বলেছেন মহামারীর পর তারা পূর্বের চেয়ে কম বিমানে যাতায়াত করবেন।
অন্যদিকে সুইডেন, ব্রাজিল, মিশর ও নাইজেরিয়ার অধিবাসীরা বলেছেন, তারা পূর্বের চেয়ে বেশি বিদেশ ভ্রমণ পরিকল্পনা করেছেন। ব্রিটেন, ইতালি, জার্মানি, চীন ও থাইল্যান্ডের অধিবাসীরা পূর্বের চেয়ে বেশি দেশের অভ্যন্তরে ভ্রমণ পরিকল্পনা করেছেন। ব্রাজিল ৬২ শতাংশ ও দক্ষিণ আফ্রিকার ৬০ শতাংশ অধিবাসী বলেছেন মহামারী পরবর্তী সময়ে তারা পূর্বের চেয়ে বেশি নিজেদের গাড়ি ব্যবহার করবেন। যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার ৪০ শতাংশ বলেছেন তারা পূর্বের চেয়ে বেশি গাড়ি ব্যবহার করবেন, মাত্র ১২ শতাংশ বলেছেন তারা গাড়ি ব্যবহার কমাবেন।