শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের মাল্টি কালচার সোসাইটিকে যে পুলিশ বাহিনী সার্ভ করে। সেই পুলিশ বাহিনীতে মাল্টি কালচারিজমের চিত্র বাস্তবে খুব একটা দেখা যায় না। পুলিশ বাহিনীতে ব্ল্যাক বা এথনিক মাইনোরিটি ব্যাকগ্রাইন্ডের অফিসারের সংখ্যা একেবারে নগন্য। বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন হোম সেক্রেটারী থেরেসা মে।
এবার ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলসের পুলিশ ফোর্সে আরো বেশি এ্যাথনিক মাইনোরিটি অফিসার নিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন হোম সেক্রেটারী। বৃহস্পতিবার ব্ল্যাক পুলিশ এসোসিয়েশনের এক অনুষ্ঠানে হোম সেক্রেটারী এ আহ্বান জানান।
স্টপ এন্ড সার্চ কমার কারণে ইউকেতে নাইফ ক্রাইম বেড়েছে বলে কিছুদিন আগে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড থেকে দাবী করা হয়েছিলো। এ অনুষ্ঠানে সে ব্যাপারেও ভিন্ন মত পোষণ করেন হোম সেক্রেটারী। কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর স্টীভেন লরেন্সের মৃত্যুর পর ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের পুলিশ বাহিনীতে ব্ল্যাক তথা এথনিক ব্যাকগ্রাউন্ডের অফিসার নিয়োগের একটি রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তারপরেও ২০০৯ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের ১৪টি পুলিশ বাহিনীতে মাত্র ৭ শতাংশ এথনিক পুলিশ অফিসার ছিলেন। বর্তমানে ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে ১শ ২৬ হাজার ৮শ ১৮ পুলিশ অফিসার রয়েছেন। এর মধ্যে মাত্র ৬ হাজার ৯শ ৭৯ জন অফিসার হলেন ব্ল্যাক এবং এথনিক মাইনোরিটি ব্যাকগ্রাউন্ডের। এরমধ্যেও মাত্র ৫ শতাংশ হলেন অফিসার পর্যায়ের। বাকীদের র্যাঙ্ক আরো নীচি।
পুলিশের স্টপ এন্ড সার্চ পাওয়ারের পরিবর্তনের কারণে দেশে নাইফ ক্রাইম বেড়েছে বলে যে দাবী করা হয়েছে, সে ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করেন হোম সেক্রেটারী। হোম সেক্রেটারীর বক্তব্যের পর অবশ্য বলা হচ্ছে যে, বাজেট কাটের কারণে অফিসারের সংখ্যা কমিয়ে ফেলতে বাধ্য হয়েছে পুলিশ বাহিনী। বর্তমানে মাত্র শূণ্য দশমিক ৬ শতাশং পুলিশ অফিসার আছেন এ্যাথনিক মাইনোরিটি ব্র্যাকগ্রাউন্ডের।