কিন্তু নেইমারের এই স্বপ্নপূরণে বাধ সেধেছেন সেলেকাওদের চিকিৎসক। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ২২ বছর বয়সী নেইমার যদি এত অল্প সময়ে ইনজুরি থেকে সেরে উঠে মাঠে নামতে পারেন তবে তা হবে মির্যাকল। শুক্রবার শেষ আটের ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষের দুই মিনিট আগে কলম্বিয়ার হুয়ান সুনিগার হাঁটু নেইমারের পিঠে লাগে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
নেইমারের মেরুদণ্ডের কশেরুকায় চিড় ধরা পড়ে। পরে দলের পক্ষ থেকে তার ছিটকে পড়ার খবরটা দেয়া হয়। অর্থাৎ নেইমার আর এই বিশ্বকাপে খেলতে পারছেন না বলে জানানো হয়। কলম্বিয়ার বিপক্ষে ওই ম্যাচে ব্রাজিল ২-১ গোলের ব্যবধানে জয় পায়। ব্রাজিল দলের চিকিৎসক হোসে লুইজ রুঙ্কো জানিয়েছেন, এই ধরনের ইনজুরি সারতে সাধারণত তিন থেকে ছয় সপ্তা সময় লাগে।
ব্রাজিলের সংবাদপত্র ফোলহা দে এস. পাওল জানিয়েছে, নেইমার ১৩ জুলাই বিশ্বকাপের ফাইনালের চূড়ান্ত ফলনির্ধারণী ম্যাচে খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। ওই সংবাদপত্রটি জানিয়েছে নেইমার বলেছেন, তিনি কম ব্যথা অনুভব করছেন। আর এ কারণে তিনি মনে করছেন, এক সপ্তাহের মধ্যেই তিনি সেরে উঠতে পারবেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, যদিও এই ইনজুরি খুব গুরুতর কিছু নয় কিন্তু এরপরও এই সময়ের মধ্যে এই ফ্যাকচার সেরে ওঠার কোন সম্ভাবনা নেই। বর্তমানে নেইমার ব্রাজিলের বন্দরনগরী সান্তোসে পরিবারের সঙ্গে রয়েছেন।