আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: রেমন্ড টমলিনসন নন, ই-মেইল আবিষ্কার করেছেন শিব আয়াদুরাই। এমন দাবি করেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক শিবা আয়াদুরাই।
সম্প্রতি ইমেইলের আবিস্কর্তা হিসেবে স্বীকৃতি রেমন্ড মারা যান। তাকে বিশ্বজুড়ে ইমেইলের আবিস্কর্তা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে। এমনকি জি-মেইল পর্যন্ত তাকে এমন স্বীকৃতি দিয়েছে।
রেমন্ড মারা যাওয়ার পর তারা টুইটারে লিখেছে, ইমেইল আবিস্কার ও তাতে ইমেইলের প্রতীক ব্যবহার সূচনা করার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ রে টমলিনসন। এতে ক্ষুব্ধ মুম্বইয়ে জন্মগ্রহণকারী আয়াদুরাই। তিনি মাত্র সাত বছর বয়সে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। যখন তার বয়স ১৪ বছর তখন থেকেই তিনি ইমেইলের প্রথম আবিষ্কর্তা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন। রেমন্ড টমলিনসনের মৃত্যুর কয়েক ঘন্টা পরেই তিনি টুইটারে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
লিখেছেন, আমি নিম্ন গোত্রের। ধুসর ত্বকের একজন ভারতীয়, যে ইমেইল আবিস্কার করেছে। তার এ দাবিকে সমর্থন দিয়েছেন অল্প কিছু মানুষ। এক সমর্থক লিখেছেন, সত্য একদিন বিকশিত হবেই। এ নিয়ে কোন সংশয় নেই। আপনার আবিষ্কার বিশ্বকে পাল্টে দিয়েছে। যার প্রাপ্য কৃতীত্ব একদিন তার পক্ষেই যাবে। অভিনেত্রী-কমেডিয়ান ফ্রান ড্রেশ্চার লিখেছেন, সবাই সততার সঙ্গে জানেন যে শিব ইমেইল আবিষ্কার করেছেন। স্বত্বও তার। তিনি বর্ণবাদের শিকার।
অন্য এক টুইটে শিব আয়াদুরাই লিখেছেন, আজ মহা শিবরাত্রি। অবজ্ঞার বিরুদ্ধে সত্য ও ন্যায় বিচারের রাত। রেথিওন ইমেইল নিয়ে যে মিথ্যাচার করেছেন তার যথার্থতা পাওয়ার রাত। টমলিনসন মারা গেছেন। আসলে সত্য কোনটি? আসল সত্যটি হলো শিব আয়াদুরাই যুক্তরাষ্ট্রে ইমেইলের (কম্পিউটার প্রোগ্রাম ফর ইলেকট্রনিক মেইল সিস্টেম) প্রথম কপিরাইট পান ১৯৮২ সালে।
এ জন্য তিনি অনেক পুরষ্কার ও সম্মান পেয়েছেন। এর মধ্যে ইমেইল উদ্ভাবনের জন্য তিনি ওয়েস্টিংহাউজ সায়েন্স ট্যালেন্ট সার্স অনার্স এওয়ার্ড পান ১৯৮১ সালে। এমনিতরো আরো অনেক পুরষ্কার পেয়েছেন তিনি। ‘হিজ ওয়ার্ক অন ইমেইল’ এর জন্য তাকে স্মিথসোনিয়ান ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব আমেরিকান হিস্ট্রি তার কোড, পেপারসকে গ্রহণ করেছে।