অন্যকিছু নিউজ ডেস্ক: মেয়েদের অন্তর্বাসের মডেল হওয়ার কারণে স্কুলের চাকরি হারালেন জেমা লাইরড। সম্প্রতি তার এমন মডেলিংয়ের ছবি প্রকাশ হয়ে পড়ায় অভিভাবকরা আপত্তি তোলেন। এতে বাধ্য হয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ ওই জেমাকে বরখাস্ত করেছ।
স্কু
ল থেকে বলা হয়, তারা চায় না যে তাদের শিক্ষার্থীরা মডেলিংকে গ্রহণ করুক। এ ঘটনা ঘটেছে ইংল্যান্ডের ডারহাম কাউন্টিতে। উল্লেখ্য, শিক্ষিকা জেমা বলেছেন, তিনি স্কুলে যোগ দেয়ার আগেই কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন তার মডেলিং ক্যারিয়ারের কথা। তিনি ডারহামে ব্লোয়েমফন্টেইন প্রাইমারি স্কুলের টিচিং অ্যাসিসট্যান্ট। সেখানে ৫ থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুদের শিক্ষা দেয়া হয়। জেমার রয়েছে চার বছর বয়সী একটি মেয়ে জোফিয়া।
তিনি বলেন, চাকরির এক সপ্তাহ পরেই আমাকে অফিস থেকে ডাকা হলো। প্রধান শিক্ষিকা আমাকে বললেন, আপনার সঙ্গে যে আলাপ করার কথা নয় আমাকে তাই করতে হচ্ছে। প্রধান শিক্ষিকা আমাকে তার পাশে বসালেন। বললেন, কেউ একজন আমার ফেসবুক পেজ দেখেছেন। সেখানে আমার মডেলিং ক্যারিয়ারের বিভিন্ন কাজ দেখেছেন। প্রধান শিক্ষিকা আমাকে বিষয়টি বললেন। তিনি বললেন, তারা স্কুলের সুনাম নষ্ট হোক এমনটা চান না। যদি মানুষ আমাকে মডেল হিসেবে দেখতে পায় তাহলে তাতে স্কুল মার সম্মান হারাবে। এ পেশার জন্য তিনি আমাকে এমন একটি ধারণা পোষণ করতে বললেন যেন আমি একজন দেহব্যবসায়ী। এটা একটা বাজে ব্যাপার।
জেমাকে ওই স্কুলের শিক্ষানবিশ টিচিং অ্যাসিসট্যান্ট হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। এর বিনিময়ে তাকে সপ্তাহে ১৫০ পাউন্ট বেতন নির্ধারণ করা হয়। তবে জেমার মতে, তিনি স্কুলে যোগ দেয়ার আগে তার মডেলিং ক্যারিয়ার সম্পর্কে জানিয়েছিলেন। এ পেশা থেকে তিনি দিনে আয় করেন ১২০ পাউন্ড। তাকে ৩রা মার্চ বরখাস্ত করার পর পুরোপুরি এখন ফিরে গেছেন মডেলিংয়ে।