শীর্ষবিন্দু আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: এটাই প্রথম নয়। এর আগে বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্র যখন রাষ্ট্রদূত পাঠিয়েছে, দেশের হয়ে সেখানে গিয়েছিলেন জনপ্রিয় ও বিখ্যাত সব অভিনেত্রীরা।
এবার কি তাহলে সেই তালিকাতে নাম উঠতে যাচ্ছে ? যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হয়ে কি তবে তিনি সত্যি সত্যি সৌদি আরবে যাচ্ছেন?
এ
তে দোষের কি! এক ব্যবসায়ী এবং রিয়েলিটি শো-স্টার যদি মার্কিন মুলুকের প্রেসিডেন্ট হতে পারেন, তবে আর পর্নস্টারের রাষ্ট্রদূত হতে বাধা কোথায়? এরকমই চিন্তাভাবনা থেকে সম্প্রতি মিয়া খলিফাকে রাষ্ট্রদূত করে সৌদি আরবে পাঠানো হোক- এমন দাবি তুলেছেন এক ব্যক্তি। তাঁর নাম ড্যালকম রডরিগজ গোল্ডস্টেন।
শুধু দাবি তুলেই তিনি থেমে থাকেননি, নেমে পড়েছেন রীতিমতো সই সংগ্রহেও! এভাবেই অজস্র মানুষের সই সংগ্রহ করে পিটিশন জমা দিতে চান তিনি।
তা, সই অবশ্য জোগাড় হচ্ছেও। শেষ দেখা গিয়েছে, পিটিশনে আর মাত্র ৩৮৪ জনের সই লাগবে। এঁদের মিয়া খলিফাকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পছন্দ করার যুক্তি নানাবিধ। আমার মনে হয় মিয়া খলিফা খুব ঠিকঠাক ভাবেই রাষ্ট্রদূত হিসেবে এই দেশের নৈতিক চরিত্রটির প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন।
তাছাড়া জন্মসূত্রে তাঁর সঙ্গে যোগ রয়েছে ইসলামি সংস্কৃতির! ফলে, সৌদি আরবে তাঁর মেলামেশার সুবিধেই হবে, লিখেছেন নাথান বেনসন নামের এক ব্যক্তি।
বেনসন বেশ গম্ভীর ভাবে তাঁর বক্তব্য পেশ করলেও সবাই এতটাও উদার নন। অনেকেই রীতিমতো ব্যঙ্গবিদ্রুপ করছেন মিয়া খলিফাকে নিয়ে।
তাঁদের বক্তব্য, মিয়া খলিফা জনসংযোগের কাজ ভালই জানেন, যা এতদিন পর্নহাবে নানা ভাবে দেখা গিয়েছে! অতএব, তাঁর কোনও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়!
কী বলছেন? মিয়ার প্রতিক্রিয়া? মিয়া নিজে এখনও বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেননি। দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত কী হয়!