সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০:০৫

শিশু সন্তানের সঙ্গে ঘৃণিত আচরণ: বৃটেনে বাংলাদেশি মায়ের কারাদণ্ড

শিশু সন্তানের সঙ্গে ঘৃণিত আচরণ: বৃটেনে বাংলাদেশি মায়ের কারাদণ্ড

নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাজ্যে দুই বছর বয়সী শিশু সন্তানকে জোর করে তার নিজের বমি খেতে বাধ্য করায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক মাকে ১৬ সপ্তাহের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। বিচারক ওই নারীর কর্মকাকেঘৃণিতঅসুস্থ আচরণবলে আখ্যায়িত করেন।

জানা গেছে, খাবার খাওয়ানোর এক পর্যায়ে শিশুটি বমি করে দেয়। এতে তার মা তাকে জোর করে ওই বমি খেতে বাধ্য করেন। এসময় শিশুটি কাঁদতে থাকলে তেত্রিশ বছর বয়সী ওই মা তাকে মারধর করেন। আর পুরো ঘটনা শিশুটির বাবার গোপনে স্থাপিত ভিডিও ক্যামেরায় রেকর্ড হয়। পরে অভিযোগ ভিডিওচিত্রের ভিত্তিতে আদালত রায় দেন

চলতি সপ্তাহে লুটনের একটি আদালত রায় দেন। বিচারক রিচার্ড ফস্টাড মামলার রায়ে ঘটনাকেঘৃণিতবলে উল্লেখ করেন। ওই নারীর স্বামীর গোপন ক্যামেরায় তাদের লুটনের রান্নাঘরে নির্যাতনের ওই ঘটনাটি ধরা পড়ে। পরে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

ঘটনার ভিডিওচিত্রটি সামাজিক মিডিয়ায় প্রকাশের পর যুক্তরাজ্য জুড়ে এশিয়ান কমিউনিটিতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালে বিয়ের পর থেকেই স্বামীস্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য বিরোধ চলতে থাকে। ২০১৫ সালের পর ওই দম্পতি আলাদা হয়ে যান এবং তাদের দুই শিশু বাবার সঙ্গে থেকে যায়। শিশুদের মা বাসায় এলেই শিশুরা মায়ের হাতে মারধরের শিকার হতো

লুটনের আদালত রায়ে বলেন, নারীটি জোরপূর্বক তার দুই বছর বয়সী শিশুকে বমি খেতে বাধ্য করেন। শিশুর প্রতি নির্যাতন লাঞ্ছনা, মা হিসেবে অসুস্থ আচরণ, অবহেলা এবং শিশুটিকে অপ্রয়োজনীয় নীতিবিরোধী কষ্ট দেওয়ায় ওই মাকে ১৬ সপ্তাহের কারাদন্ড দেওয়া হলো।
ঘটনাটি ঘটে গত বছরের ২১ জুন।

প্রসিকিউটার লোরা ব্লাকব্যান্ড জানান, শিশুটি রান্নাঘরে খেলার মুহূর্তেও মায়ের হাতে নির্যাতিত হয়। এমনকি শিশুটিকে কাঠের চামচ দিয়ে আঘাত করা হয়। মেঝেতে ফেলে আঘাতের কারণে শিশুটি কাঁদতে থাকলে মা কর্কশভাবে গালাগালি করে তাকে কাঁদতে নিষেধ করেন। বিচারক মামলার রায়ে বলেন, যা ঘটেছিল তা ক্ষণকালের উত্তেজনা নয়, বরং মায়ের দীর্ঘকালীন এক ধরনের অসুস্থ প্রবণতার জন্যই ঘটেছিল

 




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026