মৌলভীবাজার-১ বড়লেখা-জুড়ী আসনের প্রাক্তন সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
গত ৪ এপ্রিল শনিবার আমেরিকার একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিলো ৭৮ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে, ৪ মেয়ে, বহু আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
সিরাজুল ইসলাম ছিলেন একাধারে একজন রাজনীতিবিদ ও শিক্ষক ৷ তাঁর ছিল বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ইতিহাস। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বৃহত্তর সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। সিলেট বিভাগের রাজনীতির মাস্টার হিসেবে খ্যাত সিরাজুল ইসলাম ১৯৮৮ সালে বড়লেখা-জুড়ী উপজেলাে চেয়ারম্যাওে ছিলেন৷ পরিচ্ছন্ন এ রাজনীতিবিদ তৃণমুলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের অত্যন্ত আপনজন ছিলেন।
১৯৭৩ সালে স্বাধীনতাত্তর বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বড়লেখা-জুড়ি আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালে তিনি দ্বিতীয় বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৪ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বড়লেখায় তিনি পুলিশের হাতে গুলিবিদ্ধ হন।
বড়লেখা ও জুড়ী এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় তিনি একজন নির্ভরযোগ্য সালিশ বিচারক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন৷ তাঁর বাড়ি বড়লেখা উপজেলার পানিধার গ্রামে। তিনি প্রায় ১৫ বছর ইউরোপ ও আমেরিকায় স্বপরিবারে বসবাস করেন।
এদিকে সিরাজুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বড়লেখা ফাউন্ডেশন ইউকের সভাপতি শাহিন ইকবাল ও সেক্রেটারি কামরুল ইসলামসহ সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।
অপর এক শোকবার্তায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বড়লেখার বাসিন্দা লন্ডন থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মোহাম্মদ বেলাল আহমদ ও সাপ্তাহিক দেশ পত্রিকার সম্পাদক তাইসির মাহমুদ। পৃথক পৃথক শোকবার্তায় তাঁরা মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবার পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
– সংবাদ বিজ্ঞপ্তি