শীষবিন্দু নিউজ, সিলেট: করোনাভাইরাস ঝুঁকি মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুত রয়েছে সিলেটে। বাস্তবিক অর্থে এটা ফাঁকা বুলি ছাড়া কিছুই নয়।
করোনায় আক্রান্ত সেই ডাক্তারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠিয়ে দেয়াতে চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে এই প্রশ্নের উদ্রেক। করোনায় আক্রান্ত রোগীদের আইসোলেশন সাপোর্ট দিতে পারবে কি সিলেট?
যদি সম্ভব হয় তবে করোনা আক্রান্ত প্রথম রোগীর চিকিৎসার জন্য কেন ঢাকায় প্রেরণ? এমন প্রশ্ন এখন সারা সিলেটে। সিলেট আসলে কতোটা প্রস্তুত?
ডক্টর এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. শাকিলুর রহমান ৮ এপ্রিল একটি স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, সিলেটে এই মুহূর্তে উচিৎ সরকার, প্রশাসন ও স্থানীয় ওথরিটির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ৫০টি ভেন্টিলেটর সমৃদ্ধ করোনা আইসোলেশন সাপোর্ট সেন্টার নামে সম্পূর্ণ আলাদা একটি অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরী করা। অন্যথায় করোনায় আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া প্রায় অসম্ভব।
তিনি লিখেন, তাহলে কি আগামী কয়েক দিন পর ভেন্টিলেটরের অভাবে সিলেটে মারা যাবে করোনায় আক্রান্ত মানুষ? এই স্ট্যাটাসের মধ্যেই ফোটে উঠেছে সিলেটের করোনা মোকাবেলায় সর্বশেষ পরিস্থিতি।
অবশ্য অনেক আগ থেকেই সিলেট ছিলো ঝুঁকিপূর্ণ। তবে আশার আলো জ্বালিয়েছিলেন সংশ্লিষ্টরা। আর এবার বোঝা গেল, করোনার প্রথম রোগিকে ঢাকায় পাঠানোর কারণে বলা যায় সিলেটের করোনার চিকিৎসা সরঞ্জাম অপ্রতুল। যা দিয়ে বড় ধাক্কা সামলানো যাবে না।
এ অবস্থায় সিলেটের মানুষের জীবন রক্ষায় দ্রুত সময়ে চিকিৎসা সরঞ্জামসহ করোনা প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ এবং সংশ্লিষ্টদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এখন দাবি উঠেছে, সময়ের আগেই যদি করোনার চিকিৎসার দৈন্যদশা কাটানো না যায় তবে পরবর্তী ঝুঁকির দায়ভার কার?