শীর্ষবিন্দু নিউজ, লন্ডন: করোনা ভাইরাস (কভিড-১৯) নিয়ে জনগণকে ধৈর্য্য ধরতে আহ্বান জানিয়েছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এ খবর দিয়েছে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।
লকডাউন প্রত্যাহার নিয়েও কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি তিনি। সোমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজে ফিরে এমন আহ্বান জানান তিনি।
খবরে বলা হয়, চলতি মাসের শুরুর দিকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন জনসন। অবস্থা গুরুতর হলে তিন দিন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রেও রাখা হয় তাকে। গত ১২ই এপ্রিল হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেন তিনি। অবশেষে সোমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পূর্ণ দায়িত্ব পালনে নিজের কার্যালয়ে যোগ দেন জনসন।
এদিকে, এদিন এক বক্তব্যে করোনা ভাইরাসকে যুদ্ধ-পরবর্তীকালীন সবচেয়ে বড় সংকট হিসেবে বর্ণনা করেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, বৃটেনের হাসপাতালগুলোয় করোনা রোগী ভর্তির হার কমছে। এর মানে হচ্ছে, করোনা মোকাবিলায় স্রোত পাল্টাচ্ছে। তবে এখনো ভাইরাসটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। তাই খুব শিগগিরই এর সংক্রমণ রোধে জারি করা লকডাউন প্রত্যাহার করা হবে না।
জনসন বলেন, আমি আপনাদের অসহিঞ্চুতা, উদ্বেগ বুঝি। তবে তিনি সতর্ক করেন, করোনা সংক্রমণ বাড়লে তা অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। প্রসঙ্গত, বৃটেনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৫৪ হাজার ছাড়িয়েছে। মারা গেছেন ২০ হাজারের বেশি মানুষ। সরকারের উপর লকডাউন প্রত্যাহারের চাপ বাড়ছে।
বৃটেনের একাধিক প্রতিবেশী ইউরোপীয় দেশে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। এমতাবস্থায় কিছু আইনপ্রণেতা সরকারের কাছে, লকডাউন প্রত্যাহারের অন্তত একটি কৌশল ব্যাখ্যার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে জনসন তার বক্তব্যে, লকডাউন প্রত্যাহার নিয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি করেননি।