বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৩

সিলেটে করোনা রোগীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে

সিলেটে করোনা রোগীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে

শীর্ষবিন্দু নিউজ, সিলেট: সিলেট সদর হাসপাতাল নামে পরিচিত হলেও বর্তমানে এই হাসপাতালের নাম করোনা হাসপাতাল নামে চেনেন সিলেটবাসী। এই হাসপাতালের নাম শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল।

সিলেটের পুরাতন হাসপাতালের একটি। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল স্থাপনের আগে এই হাসপাতালই ছিলো সিলেটের মানুষের চিকিৎসকার একমাত্র আশ্রয়স্থল।

এরশাদের শাসনামলে ওসমানী হাসপাতাল প্রতিষ্টা হওয়ার পর এটির গুরুত্ব ও কদর দুটোই কমেছে। তবে- চালু ছিলো চিকিৎসা ব্যবস্থা। রোগির সংখ্যা থাকতো খুব কম। অনেকেই ভুলতে বসেছিলেন এই হাসপাতালের নাম। কিন্তু এবার মনে করিয়ে দিল করোনা মহামারি।

এবার মহামারী করোনা এই হাসপাতালকে ফের পরিচিত করে তোলেছে সিলেটে। এখন সিলেটের মানুষের সবার চোখ এই হাসপাতালের দিকে। কারন- সিলেটের করোনা আক্রান্ত মানুষের একমাত্র ভরসাস্থল এই হাসপাতাল। প্রতিদিনের খবরের কেন্দ্রবিন্দু এ হাসপাতাল।

সিলেট স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা অনেক যাচাই-বাছাইয়ের পর এই হাসপাতালকেই করোনা আইসোলেশনের জন্য প্রস্তুত করেন। ফলে এখন করোনা আক্রান্ত ও সন্দেহে থাকা রোগিরাই এ হাসপাতালের বাসিন্দা। প্রতিদিনই করোনা রোগি বাড়ছে এ হাসপাতালে। এখন বাড়তে বাড়তে ১৩ জনে এসে পৌছেছে। করোনা সন্দেহে ভর্তি রয়েছেন আরো ১২ জন। রোগি বাড়ছে, বাড়ছে ব্যস্ততাও। সিলেটের করোনার জন্য নির্ধারিত এ হাসপাতাল বলতে গেলে ‘মান্দাতার আমলের’।

উন্নত প্রযুক্তির কোনো ছোঁয়া নেই এ হাসপাতালে। কেবিন, ওয়ার্ড সবই আছে। পুরাতন হওয়ার কারনে রোগিরা তেমন স্বাচ্ছন্দবোধ করেন না বলে স্বজনরা অভিযোগ করেছেন। এরপরও ওই হাসপাতালেই নতুন করে প্রযুক্তি ছোয়া লাগানো হচ্ছে। পররাস্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় হাসপাতালে প্রস্তুত করা হয়েছে ১১টি আইসিইউ বেড। ইতিমধ্যে একটি ওয়ার্ডকেই আইসিইউ ওয়ার্ড করা হয়েছে। রয়েছে সিলিন্ডার দিয়ে অক্সিজেনের ব্যবস্থা।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন- সিলেটে সরকারী ভাবে করোনা চিকিৎসকার জন্য শামসুদ্দিন হাসপাতাল ছাড়া বিকল্প কিছু ছিলো না। এ কারনে তারা এই হাসপাতালকে আইসোলেশনের জন্য প্রস্তুত করা হয়। ওসমানীতে করা হলে সাধারন চিকিৎসা ব্যবসস্থায় ব্যাঘাত ঘটতো বলে জানান তারা।

হাসপাতালে রোগি বাড়ছে। এখন প্রায় ১৩ জনের মতো করোনা আক্রান্ত রোগি রয়েছেন। করোনা সন্দেহে রয়েছেন আরো ১২ জন। তবে- ভর্তি থাকা কোনো করোনা রোগির জন্য এখনো আইসিইউ সাপোর্ট প্রয়োজন পড়েনি। প্রতিদিন অক্সিজেন লাগছে। ২-৩ জন রোগি অক্সিজেনের সাপোর্ট নিচ্ছেন।

করোনা রোগিদের চিকিৎসা দিলেও এখনো নিজেরা বাসায় থেকেই হাসপাতালে এসে দায়িত্ব পালন করছেন চিকিৎসক, নার্স এবং সংশ্লিষ্টরা। তবে শীঘ্রই স্থানীয়ভাবে হোটেলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানান কর্তৃপক্ষ।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026