শীর্ষবিন্দু নিউজ, ঢাকা: বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যেতে যাত্রীদের দ্রুত এয়ার টিকিট কনর্ফাম করতে বলা হয়। যথারীতি তা কনর্ফাম করে বিমানবন্দর পর্যন্ত এসে উপস্থিত যাত্রীরা। কিন্তু এসে জানলেন, লিসবন বিমান বন্দরে ল্যান্ডিং পারমিশন না থাকায় বিশেষ বিমানে তাদের যাত্রা অনিশ্চিত।
ল্যান্ডিং পারমিশন পাবার আগেই যাত্রীদেরকে দিয়ে টিকেট কাটানো হলো। এখানেই শেষ নয়, এরপর তাদেরকে বিমানবন্দর পর্যন্ত নিয়ে আসা হলো। যাত্রীদের মধ্যে অনেক গর্ভবতী এবং বয়স্ক মহিলাও আছেন। আছে অনেক বাচ্চাও। কিন্তু তারপর?
ল্যান্ডিং পারমিশন না পাওয়ায় ঢাকা টু লিসবন ফ্লাইটই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সকাল ৮টার ফ্লাইট ৪টায় এবং এখন ১০টায় আসবে বলে বলা হচ্ছে। কিন্তু এখন সেটাও হবে কিনা কেউ বলতে পারছে না।
বিমানবন্দরে উপস্থিত যাত্রীদের প্রশ্ন হলো, ল্যান্ডিং পারমিশন পাবার আগেই কেন তাদেরকে টিকেট কাটার আহবান করা হলো? আর কেনই বা তাদেরকে বিমানবন্দর পর্যন্ত নিয়ে আসতে হলো? যাত্রীদের অভিযোগ সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকা বাংলাদেশ দূতাবাস লিসবন কি কিছুই জানত না? যাত্রীদেরকে কেনো আগে থেকেই ইনফর্ম করা হয়নি? এইসব যাত্রীদের এখন কি হবে?
কোভিড-১৯-এর কারণে এয়ারপোর্টে ভিতরে নেই খাবারের ব্যবস্থা। পরিবেশটা অনুকূলেও নেই যে তারা নিজ নিজ স্বজনের বাসায় গিয়ে উঠবে। তাছাড়া আদৌ ফ্লাইট হবে কিনা, কেউ জানে না? যদি না হয়? অনেকের কাছে বাসায় ফিরে যাবার টাকাটা পর্যন্ত নেই। তাই যাত্রীরা সবাই তাকিয়ে আছে, বাংলাদেশ এম্ব্যাসি লিসবন এর দিকে। তারা যদি কোনো ধরনের সহযোগিতা করতে পারে।
উল্লেখ্য: নানা চড়াই উৎড়াই পাড়ি দিয়ে, আজ ২৪ জুন সকাল ১১টার সময় বিমান বাংলাদেশের একটি চার্টার্ট ফ্লাইট পর্তুগালের উদ্দেশে উড়ার কথা ছিল। যাত্রীদেরকে বাংলাদেশ বিমান থেকে জানানো হয়েছিল সকাল ৮টার ভিতরে এয়ারপোর্টে এসে পৌছাতে।
সম্ভাব্য যাত্রীরা এয়াপোর্টে সকাল ৮টার ভিতরেই এসে হাজির হয়েছেন। অনেকে এসেছেন অনেক দূর থেকে। কিন্তু আসার পর বিমানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ফ্লাইট দেরি হবে, সম্ভবত বিকাল ৪টায়। এরপর আবার জানানো হয়, বিমান আসবে রাত ১০টায়। কারণ হিসাবে তারা উল্লেখ করেন, ফ্লাইটের ল্যান্ডিং অনুমতি এখনো কনফার্ম হয়নি।