শীর্ষবিন্দু নিউজ, লন্ডন: ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী রিশি সুনাক এক বিবৃতিতে বলেছেন, অর্থনৈতিক সংকট সাধারণ মানুষকে প্রচণ্ড চাপে ফেলেছে এবং এর প্রেক্ষিতে লাখ লাখ চাকরি, ব্যবসা ও জীবিকা নির্বাহের জন্যে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সরকার এ ধরনের পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হত। – ডেইলি মেইল
বর্তমানে ব্রিটিশ সরকারের ঋণের পরিমাণ দেশটির জিডিপির শতকরা ১০০ ভাগের বেশি। তার মানে ব্রিটেনে প্রতিবছর জাতীয় উৎপাদনের চেয়ে ঋণের পরিমাণ এখন বেশি। ১৯৬০-৬১ অর্থবছরের পর এই প্রথম ব্রিটিশ সরকার এত বিশাল পরিমাণের ঋণের বেড়াজালে পড়ল।
অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিক্স বলছে, কোভিড মহামারির প্রভাবে ব্রিটিশ সরকারের প্রচুর অর্থ ব্যয়ে বিশাল অংকের এই ঋণ জমা হয়েছে। লকডাউনে ৮০ শতাংশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিকে বসিয়ে বেতন দিতে হলেও আগামী অক্টোবরে এ সুযোগ শেষ হচ্ছে।
ফলে আরো অনেকে চাকরি হারাবে। বিরোধীদলগুলো এ সুবিধার মেয়াদ বৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছে। এখনো ব্রিটেনে প্রতি আটজন সরকারি চাকরিজীবীর একজন ছুটিতে রয়েছেন। কোভিড প্রাদুর্ভাবের আগেই ব্রেক্সিট জটিলতা, মন্দা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর অনেক ব্রিটিশ নাগরিকের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
উল্লেখ্য, গত মাসে ব্রিটিশ সরকার ২৬.৭ বিলিয়ন পাউন্ড ঋণ নিয়েছে। ঋণের মোট পরিমান মার্কিন ডলারে ২.৬১ ট্রিলিয়ন ও ইউরোতে ২.২ ট্রিলিয়ন। গত বছরের জুলাইয়ের সাথে এবছরের জুলাই মাসের তুলনায় ব্রিটিশ সরকারের ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে ২২৭.৬ বিলিয়ন পাউন্ড।