শীর্ষবিন্দু নিউজ, লন্ডন: প্যারিস, লন্ডন, ভিয়েনা, কোপেনহেগেন, জুরিখসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি শহরেও একই ধরনের বিক্ষোভ হয়েছে।
শনিবারের এ বিক্ষোভে যোগ দিতে শহরজুড়ে প্রায় ৩৮ হাজার প্রতিবাদকারী কোভিডের আগের জীবনযাত্রা ফিরিয়ে দেয়ার আহবান জানায়। প্রতিবাদ ছিল শান্তিপূর্ণ তবে কয়েকটি এলাকায় বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংসতার ঘটনা ঘটে।
বার্লিনে ৩ শত প্রতিবাদকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাস্ক না পরায় বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। মোতায়েনকৃত ৩ হাজার পুলিশ এদের সামলাতে হিমশিম খায়। সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব ভেঙ্গে তারা কোভিডকে ষড়যন্ত্র অভিহিত করে লকডাউন ও পরিস্থিতি মোকাবেলায় গৃহীত বিধিব্যবস্থার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানায়। ডেইলি মেইল
বান্ডেনবুর্গ গেটের কাছে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হওয়ার পর বেশ কিছু লোকজন পুলিশের দিকে পাথর ও বোতল ছুড়ে মারে। আহত হয় সাত পুলিশ। পুলিশ প্রায় ২০০ জনকে গ্রেপ্তার করে। বার্লিন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেস গাইজেল, এদের চরমপন্থি বলে বর্ণনা করেছেন।
আরেকটি বিক্ষোভে ৩০ হাজার মানুষ অংশ নেয় কোভিড বিধিনিষেধ মেনে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে তাদের অনেকে মাস্ক পড়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। জার্মানির আঞ্চলিক আদালত আগেই বিক্ষোভের পক্ষে অভিমত প্রকাশ করে।
ইউরোপজুড়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ফের বৃদ্ধি আর ভাইরাসের বিস্তার রোধে আরোপিত বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে এসব মানুষের বিক্ষোভকে মিডিয়া হতাশার প্রতিফলন বলে অভিহিত করা হয়। টুইটে এক বার্লিন পুলিশ বলেছে, দুর্ভাগ্যক্রমে আমাদের কাছে অন্য কোনো বিকল্প নেই।