শীর্ষবিন্দু নিউজ: আগামী ১৫ই নভেম্বর ঢাকার শাপলা চত্বরে আবারও সমাবেশের ডাক দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে গতকাল শনিবার দুপুরে মহাসমাবেশে এই ঘোষণা দেন সংগঠনটির আমীরসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। স্থানীয় পার্বতীপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকার শাপলাচত্ত্বরের ঘটনার পর এবারই প্রথম বড় কর্মসূচি পালন করলো সংগঠনটি।
চট্টগ্রামের বাইরের বিভিন্ন অঞ্চল, ফেনী, নোয়াখালী, ব্রাক্ষণবাড়িয়া, চাঁদপুরসহ একাধিক জায়গা থেকে দলে দলে লোকজন সমাবেশে যোগ দেন। এতে সভাপতিত্ব করেন আল্লামা সালাহ উদ্দিন নানুপুরী। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর নূর হোসেন কাশেমী, ঢাকা মহানগর যুগ্ম সম্পাদক আবদুর রব ইউসুফী, হেফাজত নেতা আবুল হাসনাত আমিনী প্রমুখ।
এসময় আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন বক্তব্যে বর্তমান মহাজোট সরকারকে ইসলামের স্বপক্ষের ও হেফাজতকারী হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন। এটা অনেক আশাব্যঞ্জক উক্তি। অথচ দুর্ভাগ্যজনকভাবে ইসলাম বিদ্বেষীদের অপতৎপরতা বর্তমান সরকারের আমলেই সবচেয়ে বেশী পরিলক্ষিত হয়েছে। তারা আমার বিরুদ্ধে নানা কুৎসা রটিয়েছে।
শাপলাচত্বরের প্রসঙ্গে হেফাজত আমীর বলেন, ১৫ নভেম্বর সবাই ঢাকায় আসবেন। সেখানে কথা হবে। পুলিশের লাঠিকে ভয় পাবেন না। মনে রাখবেন আপনাদের ঈমানী শক্তির কাছে সরকারের পেটুয়া বাহিনীর শক্তি দুর্বল হয়ে পড়বে। যদি সমাবেশের অনুমতি না পাই তাহলে লাগাতার হরতাল চলবে। আল্লামা শফী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের আপামর ইসলাম অনুরাগী ধর্মপ্রাণ মানুষদের ধোকা দিয়েছে। নাস্তিকদের সহযোগিতায়, তাদের বুদ্ধি পরামর্শে কওমি মাদ্রাসাগুলো বন্ধের ষড়যন্ত্র করছে। মুসলমান প্রধান একটি দেশের লোকজন এই পদক্ষেপ কিছুতেই মেনে নেবেনা। সময় এলে তার সমুচিত জবাব দেবে।
এই বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে অন্যায় আগ্রাসী অপতৎপরতা মোকাবিলায় উলামা-মাশায়েখ, মাদ্রাসার শিক্ষক, ছাত্র-তৌহিদী জনতাকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সজাগ ও সতর্ক থেকে অপশক্তিকে মোকাবিলা করতে হবে। তাহলে নাস্তিক্যবাদী কোন অপশক্তিই ষড়যন্ত্রের সাহস করবে না।