নিউজ ডেস্ক: ওমান প্রবাসী বাংলাদেশী মৃত কছির মিয়ার লাশ বাংলাদেশে পাঠাতে ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশীজ সংগঠণের পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কছির মিয়ার লাশ দেশে পৌঁছেনি। তবে তা প্রক্রিয়াধীন আছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশীজের ডাইরেক্টর অব প্রেস কে এম আবুতাহের চৌধুরী।
জানা যায়, ওমান প্রবাসী কছির মিয়ার বাড়ি ছিল কমলগঞ্জ উপজেলার পতন ঊষার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সেখানে আন ডকুমেন্টেড অবস্খায় বসবাস করে আসছিলেন। গত সপ্তাহে তিনি ওমানে মারা যান। বাংলাদেশে বসবাসরত তাঁর পরিবারের কাছ থেকে লাশ দেশে পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়। লাশ দেশে পাঠানোর জন্য ওমান প্রবাসী বাংলাদেশী ছাড়াও যুক্তরাজ্যের সমাজকর্মীরা এগিয়ে আসেন।
ওমানের বাংলাদেশ হাই কমিশন কোন আর্থিক সহযোগিতা করেনি। যুক্তরাজ্য প্রবাসী সমাজসেবী নজরুল ইসলাম, সৈয়দ সুহেল আহমদ লাশ দেশে পাঠাতে বিভিন্নভাবে সাহায্য করেন। বিভিন্নভাবে দেশে বিদেশে চাঁদা সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু আরো ৫০০ পাউণ্ড সাহায্যের জন্য ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশীজের ডাইরেক্টর অব প্রেস কে এম আবুতাহের চৌধুরীর কাছে অনুরোধ করা হয়।
গত ১লা নভেম্বর ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশীজের কার্যকরি কমিটির এক সভায় আর্থিক সাহায্যের অনুরোধ জানালে তাৎক্ষণিকভাবে ৫০০ শ’ পাউণ্ড সংগ্রহ করে পরিবারের কাছে পাঠানো হয়। যারা এ মহতি কাজে অনুদান দেন তারা হচ্ছেন- ড: হাসনাত এম হোসেন এমবিই, সৈয়দ নাদির আজিজ দরাজ, মাহিদুর রহমান, ড: ওয়ালি তছর উদ্দিন এমবিই, আ ম ওহিদ আহমদ, মাহতাব মিয়া, এম এ লতিফ জেপি ও কে এম আবুতাহের চৌধুরী।