শীর্ষবিন্দু নিউজ, ফ্রাঙ্কফুট: কর্মরত অবস্থায় মিশরের জেনারেল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করায় জার্মান চ্যান্সেলরে এঞ্জেলা ম্যার্কেলের প্রেস অফিসের কর্মীর বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনা হয়েছে৷ গত জুলাই মাসে এ বিষয়ে জার্মান মনিটরিং বিভাগের এক বাৎসরিক রিপোর্টে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়৷ -ডয়চে ভেলে।
মিশরীয় বংশোদ্ভূত এই জার্মান চ্যান্সেলর ম্যার্কেলের প্রেস অফিসের কর্মী ছিলেন৷ সোমবার জার্মানির পাবলিক প্রসিকিউটর চ্যান্সেলর ম্যার্কেলের প্রেস অফিসে (বিপিএ) কর্মরত এই মিশরীয় বংশোদ্ভূত জার্মান নাগরিকের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনেন৷
মিশরীয় বংশোদ্ভূত জার্মান নাগরিক আমিনকে কমপক্ষে ২০১০ এর জুলাই থেকে মিশরের জেনারেল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসকে (জিআইএস) তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে বলে অভিযোগ এবং অন্য এক মিশরীয় নিয়োগের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে ৷ যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয় বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ৷
জুলাই মাসের গোয়েন্দা প্রতিবেদনে সাধারণভাবে উল্লেখ করা হয় যে, জার্মানিতে বসবাসকারী মিশরীয়দেরও তাদের দেশের ‘জিআইএস’ এবং জাতীয় সুরক্ষা পরিষেবা ‘এনএনএস’ সাথে সম্পৃক্ততা থাকতে পারে৷ সন্দেহভাজন ব্যক্তি ১৯৯৯ সালে বিপিএ-র ভিজিটর সার্ভিসে কাজ শুরু করেছিলেন, বর্তমানে বিপিএ-র নেতৃত্বে রয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর ম্যার্কেলের মুখপাত্র স্টেফেন জাইবার্ট৷ বিদেশে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে অভিযুক্তের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে৷
গণতন্ত্রের প্রতি সম্ভাব্য হুমকি সম্পর্কে জার্মানির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা বিভাগ (বিএফভি) তার বার্ষিক প্রতিবেদনে গত জুলাই মাসে এই অভিযোগটি জনসমক্ষে প্রকাশ করে৷ এ ব্যাপারে সে সময় জার্মান প্রেস অফিস বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নীরব ভূমিকা পালন করে৷ তাছাড়া ভিজিটর সার্ভিসেরও সে সময়ে সেসব ডাটা বা তথ্য পাওয়ার সুযোগ ছিলো না৷