শীর্ষবিন্দু নিউজ, প্যারিস: করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে প্যারিসসহ ফ্রান্সের ১৬টি স্থানের ২১ মিলিয়ন মানুষ ক্ষতির মুখে পরেছে। পোল্যান্ডে গত নভেম্বর থেকে করোনাসংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। জার্মানিতে সংক্রমণ থামাতে আবারো কড়াকড়ি আরোপের কথা ভাবছেন দেশটির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল।
পোল্যান্ডে গত নভেম্বর থেকে করোনাসংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য ফেব্রুয়ারি থেকে দেশটিতে দোকান, হোটেল ও বার ইত্যাদি বন্ধ রাখা হয়েছে। অন্যদিকে জার্মানিতেও বেড়ে গেছে করোনার সংক্রমণ। সম্প্রতি দেশটির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল বলেছেন, যে কোন সময় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হতে পারে। দেওয়া হতে পারে লকডাউন।
জার্মানিতে ইতিমধ্যে আঘাত হেনেছে করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ। ভাইরাসের সংক্রমণ থামাতে তাই দেশটি আবারো কড়াকড়ি আরোপের পথে হাটছে। দেশটির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল জানিয়েছিলেন, প্রতি এক লাখে শনাক্তের হার ১০০ জনের বেশি হলে আবারো কড়াকড়ি আরোপ করা হবে। শুক্রবার দেশটিতে এক লাখে ৯৫.৬ জন শনাক্ত হয়েছে।
মার্কেল বলেন, অবস্থা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। আমাদের এখানে ভাইরাস সংক্রমণ বাড়ছে। তাই এর গতিরোধে জরুরিভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। দেশটির তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে দ্রুত সংক্রমণ বাড়ছে। দ্বিতীয় ঢেউ চলে যাওয়ার পর কড়াকড়ি তুলে নেয়া হয়েছিল দেশটিতে। ধারণা করা হচ্ছে, এ কারণেই আবারো বাড়তে শুরু করেছে সংক্রমণ। এ অবস্থায় শুক্রবার ১৬টি প্রদেশের নেতাদের সঙ্গে বসেন মার্কেল। আগামী সোমবার তিনি আবারো বসবেন তাদের সঙ্গে। এদিনই লকডাউন কঠিন করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার সংবাদে ইউরোপে অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা নিষিদ্ধ করা হয়েছিলো। যদিও এখন বলা হচ্ছে, এ টিকা ব্যবহারে কোন সমস্যা নেই এবং পুনরায় এর প্রয়োগ শুরু হচ্ছে। হুর তথ্যমতে, এ পর্যন্ত পোল্যান্ডে ২০.১ এবং ফ্রান্সে ৪১.৮ লাখ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছেন যথাক্রমে ৪৮ হাজার ৮০৭ এবং ৯১ হাজার ৭০৬ জন।
Leave a Reply