দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। ওমিক্রন নিয়ে প্রতিনিয়ত বাড়ছে উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা। সেই উৎকন্ঠা থেকে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরসহ সব ইমিগ্রেশনে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
তবে এবার সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নিয়ে উৎকন্ঠার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের এই বিমানবন্দরে এখনও পর্যন্ত স্থাপিত হয়নি করোনা পরীক্ষা কোনো আরটি–পিসিআর ল্যাবরেটরি নেই। ফলে বিমানবন্দরে ল্যাব না থাকায় বিভিন্ন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে সিলেটের সঙ্গে আফ্রিকার দেশগুলোর সরাসরি কোনো ফ্লাইট চালু নেই জানিয়ে কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও স্বাস্থ্য বিভাগ। এরপরও বিমানবন্দরে আসা যাত্রীদের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সম্প্রতি তাঁদের আফ্রিকার কোনো দেশে যাতায়াত আছে কি না, সে বিষয়ও যাচাই করা হচ্ছে। ওমিক্রন ঠেকাতে সতর্কতার অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৫ দফা নির্দেশনা পালন করা হচ্ছে।
সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক হিমাংশু লাল রায় বলেন, দুই মাসে আফ্রিকা থেকে ২৪০ জন যাত্রী দেশে ফিরেছেন। কিন্তু ওই সব যাত্রীর কোনো তথ্য সিভিল অ্যাভিয়েশনের কাছে নেই। এমন অবস্থার মধ্যে আমরা যাচ্ছি। অমিক্রন দেশে মাত্র দুটি প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করতে পারে। এ ছাড়া আক্রান্ত রোগীর উপসর্গ ও হিস্ট্রি দেখে নতুন ধরন কি না, সেটি জানা যাবে।
সিলেটের সঙ্গে আফ্রিকার দেশগুলোর সরাসরি কোনো ফ্লাইট নেই জানিয়ে সিলেট বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক হাফিজ আহমদ বলেন, ওমিক্রন ঠেকাতে আমরা স্বাস্থ্য বিভাগকে সহযোগিতা করছি। তৃতীয় কোনো দেশ থেকে আফ্রিকায় ভ্রমণ করা কোনো যাত্রী দেশে আসলে আমরা স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী সহযোগিতা করব।
সিলেট জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন জন্মেজয় দত্ত বলেন, ওমিক্রন ঠেকাতে আফ্রিকার দেশগুলো থেকে সিলেটে আসা যাত্রীদের বাধ্যতামূলক ১৪ দিন সঙ্গনিরোধসহ সব নির্দেশনা মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। যদিও সিলেটের সঙ্গে আফ্রিকার দেশগুলোর সরাসরি কোনো ফ্লাইট নেই। কিন্তু তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে সিলেটে আসছেন কি না, সেটি পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে।
Leave a Reply