লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে চেক-ইন ডেস্ক থেকে এক ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা প্রায় ৩ মিলিয়ন পাউন্ডেরও অধিক আর্থিক জালিয়াতি করেছেন বলে সন্দেহ করছে দেশটির প্রশাসন।
ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষকে তাদের তদন্তে সহায়তা করছে বলে জানিয়েছে। এ খবর দিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।
অভিযুক্ত কর্মকর্তা ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একজন প্রাক্তন কর্মচারী। তবে উক্ত জালিয়াতিতে তিনি একা নন, ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের চেক ইন সুপারভাইজারের নামে একই অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ- তিনি ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের চেক ইন সুপারভাইজারের সাথে যোগসাজশ করে টার্মিনাল ফাইভের মাধ্যমে বৈধ ভিসা নথি ছাড়াই যাত্রীদের অনৈতিক ও অবৈধ সুবিধা প্রদান করতেন যার জন্য উপঢৌকন হিসেবে নিতেন জনপ্রতি ২৫,০০০ পাউন্ড।
এভাবে অবৈধ পন্থায় অনেক যাত্রীদের কানাডায় যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন তারা। যে সকল যাত্রীদের এমন অবৈধ ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে তাদের কারো যুক্তরাজ্যে থাকার সঠিক ডকুমেন্টেশন ছিলো না।
এ রকম অবৈধ সুবিধা নেয়া ভ্রমণকারীদের বেশিরভাগই ভারতীয় নাগরিক। তাদের কানাডায় আশ্রয় দাবি করার পরিকল্পনা ছিল এবং তাদেরকে অস্থায়ী ভিজিট ভিসায় ভারত থেকে যুক্তরাজ্যে আসার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল।
যুক্তরাজ্যকে রুট হিসাবে ব্যবহার করে কানাডায় পাঠানোর পরিকল্পনায় জড়িয়ে পড়েছিল হিথ্রো বিমানবন্দরের বিভিন্ন কর্মচারী।
এইসব যাত্রীদের অনেকেই যুক্তরাজ্য আশ্রয় দাবি করে ব্যর্থ হয়েছিলেন বিধায় যুক্তরাজ্য হতে নিজ দেশে ফেরত যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিলেন।
ইউকে বর্ডার ফোর্স এবং পুলিশ জানিয়েছে, দুইজন ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যদিও তারা ভারতে পালিয়ে গিয়েছে।
ভারতে তাদের একাধিক সম্পদ রয়েছে বলেও জানা যায়। তবে ভারতের সাথে যুক্তরাজ্যের প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে বলে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করলে তাদের ফিরিয়ে আনাও সম্ভব।
Leave a Reply