শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৭

ধর্ষণে নিহতদের বাংলোর মাটিতে পুঁতে রাখার কথা উঠে এসেছে এপস্টেইন ফাইলে

ধর্ষণে নিহতদের বাংলোর মাটিতে পুঁতে রাখার কথা উঠে এসেছে এপস্টেইন ফাইলে

মার্কিন বিচার বিভাগের প্রকাশিত সর্বশেষ এপস্টেইন ফাইলে একটি ইমেইল ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ইমেইলটির প্রেরক নিজেকে জেফ্রি এপস্টেইনের সাবেক কর্মী দাবি করে অভিযোগ করেছেন, নিউ মেক্সিকোর জোরো ্যাঞ্চ এলাকায় দুইবিদেশি তরুণীরমৃত্যু হয়েছিল এবং সেখানে তাদের দাফনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

অভিযোগগুলো যাচাই করা হয়নি এবং নথিতে সেগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। খবর ডেইলি মেইলের।

২০১৯ সালের ২১ নভেম্বর পাঠানো ওই ইমেইলটি পরে এফবিআইয়ের কাছে পাঠানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ শুক্রবার যে প্রায় ৩০ লাখ নথি প্রকাশ করেছে, তার অংশ হিসেবেই ইমেইলটি সামনে আসে। প্রেরকের নাম গোপন রাখা হয়েছে।

ইমেইলে প্রেরক দাবি করেন, তিনি জোরো ্যাঞ্চে কাজ করেছেন এবং সেখানে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী। তিনি আরও বলেন, এপস্টেইন ম্যাডাম জিনামে পরিচিত এক ব্যক্তির নির্দেশে ওই দাফন সম্পন্ন হয়। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ ইমেইলে দেওয়া হয়নি।

নথিতে আরও উল্লেখ রয়েছে, ইমেইলের প্রেরক কিছু ভিডিওর লিংকের কথা বলেন এবং সেগুলোর বিনিময়ে অর্থ দাবি করেন। ইমেইলটি এপস্টেইনের মৃত্যুর কয়েক মাস পর এফবিআইয়ের কাছে পৌঁছায়। উল্লেখ্য, এপস্টিন ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।

প্রকাশিত নথিতে এপস্টেইনের সম্পত্তি নিয়েও তথ্য রয়েছে। ১৯৯৩ সালে কেনা জোরো ্যাঞ্চটি তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিজের কাছে রেখেছিলেন। পরে সম্পত্তিটি বিক্রি করা হয়। এই ্যাঞ্চটি আগে থেকেই বিচ্ছিন্ন অবস্থান গোপন যাতায়াতের কারণে আলোচনায় ছিল।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, নথিগুলোতে থাকা অভিযোগগুলো গুরুতর হলেও এগুলো যাচাইবাছাই ছাড়া চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা যায় না। যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এপস্টেইন সংক্রান্ত প্রকাশিত নথির ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হবে।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026