ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে পাওয়া নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে ১৮০ দিনের কর্মসূচি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের কথা হয়েছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে এ বৈঠকের মাধ্যমে নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।সব মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা বৈঠকে যোগ দেন। সরকারের নীতি-অগ্রাধিকার ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে দলটির মহাসচিব ও সংসদীয় দলের নেতা তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বে গঠিত নতুন মন্ত্রিসভায় রয়েছেন মোট ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী।
অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ সাকি বলেন, ১৮০ দিনের একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করবে সরকার। এ সময়ের মধ্যে গৃহীত কর্মসূচি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে।
এছাড়া রমজানে যেন স্বস্তিদায়ক পরিবেশ থাকে, সেদিকে নজর দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতেও নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি গণমাধ্যম কমিশনের প্রস্তাবও হাতে আছে, সেগুলো নিয়ে কাজ করা হবে।
বৈঠক বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, জনগণ ম্যান্ডেট দিয়েছে, তাই প্রত্যেক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা যেন প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে সে নির্দেশ দিয়েছেন তারেকরহমান।
শ্রম ও কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মো. নুরুল হক নুর বলেন, দুর্নীতির প্রভাবমুক্ত হয়ে দৃশ্যমান কাজ করার বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদুর রহমান বলেন, রোজায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ঈদে নির্বিঘ্নে ঘরে ফেরা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।
এর আগে, বেলা ৩টায় সচিবালয়ের এক নম্বর ভবনে মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু হয়। বেলা ১২টা ৩৫ মিনিটে সরকার প্রধান ওই ভবনে নিজের দফতরে পৌঁছান। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী সচিবদের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা রয়েছে।
Leave a Reply