শীর্ষবিন্দু নিউজ: বাংলাকে জাতিসংঘের ভাষা করার দাবি খুবই যৌক্তিক। কাজেই, এ দাবির সাথে বাংলা ভাষাভাষী সকলকে একাত্ব হতে হবে। রোববার অর্গ্যানাইজেশন ফর দ্য রিকগনিশন অব বাংলা এজ এন অফিসিয়্যাল ল্যাংগুয়েজ অব দ্য ইউনাইটেড ন্যাশন্স’র কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে সিলেট প্রেসক্লাবের এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।
প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময়ে যুক্তরাজ্য প্রবাসী ও সংগঠনের সেক্রেটারী জেনারেল তাফাজ্জল হোসেন চৌধুরী এবং প্রেস ও পাবলিসিটি সেক্রেটারী শেখ মফিজুর রহমান অংশ নেন। প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে দৈনিক সংলাপ সম্পাদক ও সংগঠনের সিলেট বিভাগীয় কো অর্ডিনেটর মুহাম্মদ ফয়জুর রহমান, বাংলা টিভি ইউকে’র সিলেট প্রতিনিধি আব্দুল মালিক জাকা, দৈনিক জালালাবাদের নির্বাহী সম্পাদক আব্দুল কাদের তাপাদার, দৈনিক কাজিরবাজারের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ সুজাত আলী, সিলেট প্রেসক্লাবের ট্রেজারার কবির আহমদ সোহেল, সাবেক ট্রেজারার খালেদ আহমদ, দৈনিক সংগ্রামের সিলেট ব্যুরো প্রধান কবির আহমদ, প্রেসক্লাবের ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক আহবাব মোস্তফা খান, সময় টিভির স্টাফ রিপোর্টার আব্দুল আহাদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য মুহিবুর রহমান, ক্লাব সদস্য দিগেন সিংহ প্রমুখ। শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন খবরপত্রের ব্যুরো প্রধান এম এ মতিন। সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল তাফাজ্জল হোসেন চৌধুরী বলেন, সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ১৯৯৯ সালে বাংলা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্বীকৃতি পেয়েছিল। কিন্তু,জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা হিসাবে বাংলার স্বীকৃতি আজও মেলেনি। এ দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। এরই মধ্যে বাংলাদেশের পার্লামেন্টে বাংলাকে জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা করার সর্বসম্মত প্রস্তাব পাস হয়েছে।
শেখ মফিজুর রহমান বলেন, বৃটেনে বাংলা মিডিয়া শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। সেখানকার মিডিয়া কর্মী এবং প্রবাসীরা দেশের কল্যাণে অবদান রাখতে চান। সেই বোধ থেকেই আমরা মূলত এ আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছি। তিনি বলেন, বাংলা ভাষায় কথা বলেন বিশ্বের ৩০ কোটি মানুষ। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা ও বিহার রাজ্যের বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠী আজ ইউরোপ, আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছেন। পৃথিবীর এ বিশাল জনগোষ্ঠীর মাতৃভাষাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দান এখন সময়ের দাবি। আর এ ন্যায়সঙ্গত দাবি বাস্তবায়নের জন্য আমরা দেশে-বিদেশে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।