মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৬:৩৬

লন্ডনের টাওয়ার হেমলেটসে’র বিজয়ী কাউন্সিলার ছাতকের শাহ আলম

লন্ডনের টাওয়ার হেমলেটসে’র বিজয়ী কাউন্সিলার ছাতকের শাহ আলম

শীর্ষবিন্দু নিউজ: লন্ডনের টাওয়ার হেমলেটস নির্বাচনে মাইল ইন্ড ওয়ার্ডে সর্বাধিক ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সুনামগঞ্জের বংশোদ্ভুত শাহ আলম। তিনি জেলার ছাতক উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের চরগোবিন্দ গ্রামের ময়না মিয়ার পুত্র। এদিকে, টাওয়ার হেমলেটস ফার্স্ট পার্টির হয়ে সিলেটী বংশোদ্ভুত লুৎফুর রহমান দ্বিতীয় বারের মতো বিজয়ী হন। শনিবার কাউন্সিলর পদের প্রার্থীদের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

টাওয়ার হেমলেটস নির্বাচনে শাহ আলম মাইল ইন্ড ওয়ার্ডে টাওয়ার হেমলেটস ফার্স্ট পার্টির হয়ে সর্বাধিক ২ হাজার ৩১৫ ভোট পেয়ে ৫৭ ভোটের ব্যবধানে প্রথম স্থান অধিকার করেন। তাঁর নিকটতম বিজয়ী প্রতিদ্বন্দ্বী লেবার পার্টির ডেভিড ইডজার পেয়েছেন ২২৫৮ ভোট ও রিচেল সাউনডারস্ন পেয়েছেন ২১৩৯ ভোট। ৩টি কাউন্সিলর পদে মোট ১২ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। ২২ মে ভোট টাওয়ার হেমলেটসের ভোট গ্রহণ করা হয়। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল আটটায় ভোট গণনা শুরু হয়। রাত দেড়টার দিকে মেয়র প্রার্থীদের ভোট গণনা শেষ হয়।

মাইল ইন্ড ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১৫ হাজার ৩৩। ভোট পড়ে ৫ হাজার ৯শ ৭৪টি। এর মধ্যে ব্যালট বাতিল হয় ৯৬টি। মোট ভোটারের মধ্যে ৪৯.৫৮ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়। ১৫.৪০ শতাংশ ভোট পেয়ে শাহ আলম প্রথম স্থান অধিকার করেন। মাইল ইন্ট ওয়ার্ডের অন্যান্য প্রার্থীরা ভোট পেয়েছেন টাওয়ার হেমলেটস ফার্স্ট দলের মোহাম্মদ শাহিদ আলী ২০৫২, লেবার পার্টির মতিন উজ জামান ১৮০১, টাওয়ার হেমলেটস ফার্স্ট দলের মোস্তাক সাইদ ১৭৯৬, কনজার্ভেটিব পার্টির নাওমি সওডন ৫৯৭ ও মোস্তাক আবদুল্লাহ ৫৭১, লিবারেল ডিমোক্রেট পার্টির এনড্রি হেলিয়েট ৫০০, কনজার্ভেটিব পার্টির জুয়েল ইসলাম ৪৪৫, ইনডিপেন্ডেন্ট পার্টির হাফিজ চৌধুরী ৩৮৩ ও ট্রেড ইউনিওনিস্ট এন্ড সোসালিস্ট কোয়ালিশন পার্টির আরজু মিয়া ১৬৫।

শাহ আলম ১২ বছর বয়সে পিতার সাথে যুক্তরাজ্যে গমন করেন। পরে সেখানে তিনি মাইল ইন্ড ওয়ার্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে দু‘বছর পূর্বে ছাতক পৌর শহরের ভাজনামহল গ্রামে শাহ আলম এতিমখানা নামে একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি গৌরবের সাথে পরিচালিত হচ্ছে। যার সম্পূর্ণ খরচ শাহ আলম বহন করেন। এছাড়া শাহ আলম জন্মস্থান চরগোবিন্দ গ্রামের শিক্ষার উন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছেন। শাহ আলম সুদুঢ় প্রবাসে থেকে দেশের তথা গ্রামের নাম উজ্জ্বল করেছেন, এ ঘটনা শুনে চরগোবিন্দ গ্রামে প্রত্যেকটি মানুষের মনে আনন্দের উচ্ছাস ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার গ্রামের মানুষের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

এসময় চরমহল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কদর মিয়া ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং এলাকাবাসী তাঁর সুস্বাস্থ্য কামনা করেন। যুক্তরাজ্য থেকে টেলিফোনে শাহ আলম বলেন, দেশের মানুষের দোয়া ও ভালোবাসায় তিনি বিজয়ী হয়েছেন। এজন্য সকলের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। আগামী দিনে টাওয়ার হ্যামলেটস ও বাংলাদেশের উন্নয়নে তিনি কৃতিত্বের সাথে ভূমিকা রাখতে চান।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026