পাশাপাশি আইএসআইএল বা আইএসআইএস নামে পরিচিত এই গোষ্ঠীটি নিজেদের সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে ইসলামি রাষ্ট্র রেখেছে এবং নিজেদের নেতা আবু বকর আল বাগদাদি’কে খলিফা হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। রোববার ইসলামি ওয়েবসাইটগুলো এবং ট্যুইটারে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এসব বিষয় জানানো হয়েছে। জঙ্গিগোষ্ঠীটির এ ঘোষণা রক্ষণশীল উপসাগরীয় দেশগুলোর শাসকদের প্রতি একটি সরাসরি চ্যালেঞ্জ। ওইসব দেশের শাসকরা এ গোষ্ঠীটিকে তাদের জন্য হুমকি মনে করে।তাদের এ ঘোষণা আল কায়েদার নেতৃবৃন্দের জন্যও একটি চ্যালেঞ্জ। কারণ শরিয়াভিত্তিক ইসলামি কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য বিশ্বব্যাপী লড়াইরত আল কায়েদা সাবেক আইএসআইএল’র (হালের ইসলামিক রাষ্ট্র) সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই বলে আগেই বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছিল। প্রকাশিত বিবৃতিতে গোষ্ঠীটির মুখপাত্র আবু মুহম্মদ আল আদানি বলেছেন, আবু বকর আল বাগদাদি প্রধান ইমাম এবং সারা মুসলিম জাহানের খলিফা। বিশ্বের বেশ কয়েকটি ভাষায় বিবৃতিটির অনুবাদ প্রকাশ করা হয়েছে এবং সঙ্গে আরবি অডিও ভাষণ জুড়ে দেয়া হয়েছে।

বিবিসি জানিয়েছে, বিবৃতিতে ঘোষিত ইসলামি রাষ্ট্রের সীমানা উত্তরে সিরিয়ার আলেপ্পো থেকে পূর্ব ইরাকের দিয়ালা প্রদেশ পর্যন্ত বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয়ার জন্য বিশ্বের সব মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে এবং গণতন্ত্রসহ পশ্চিম থেকে আগত অন্যান্য আবর্জনা প্রত্যাখ্যান করার জন্য বলা হয়েছে।
ইসলামি রাষ্ট্রে’র জঙ্গিরা সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি শহরসহ কিছু এলাকা এবং ইরাকের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বিশাল এলাকা সম্প্রতি দখল করেছে। এই এলাকায় একটি ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লড়াই করছিল গোষ্ঠীটি। এখন ইরাকের উল্লেখযোগ্য অংশ নিজেদের দখলে আসার পর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের ঘোষণা দিল জঙ্গিগোষ্ঠীটি।