
অনলাইন ডেস্ক: জিহাদ আল নিকা বা যৌন জিহাদ। ২০১৩ সালে প্রথম বৈবাহিক জিহাদের এ ধারণা চালু করেন ওয়াহাবি মাওলানা শেখ মোহাম্মদ আরেফি। তখন তিনি নরীদের যৌন সেবা দানের আহ্বান জানান। যাতে সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে যেসব যোদ্ধা লড়ছেন তারা এর মাধ্যমে প্রেরণা পাবেন।
এ ধারণায় অনুপ্রাণিত হয়ে মালয়েশিয়া থেকে অন্তত তিনজন সুন্নি মুসলমান নারী মধ্যপ্রাচ্যে গেছেন আইএস যোদ্ধাদের আরামপ্রদতা নারী হিসেবে। মালয়েশিয়ার গোয়েন্দা সুত্রের বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে সে দেশের গণমাধ্যমগুলো।
মালয়েশিয়ার সরকারি সূত্র জানিয়েছে, এক নারী যার বয়স ৩০ বছরের মধ্যে তিনি এক দালালের মাধ্যমে স্থল পথে সিরিয়ায় যান যৌন জিহাদে অংশ নিতে। অন্যদিকে, ৪০ বছরের এক মালয়েশিয়ান নারী এ বছরের এপ্রিল মাসে আইএস-এর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। শুধু মালয়েশিয়াই নয়, অস্ট্রেলিয়া ও বৃটেন থেকেও সুন্নি নারীরা মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছেন।
এমনকি বৃটেন থেকে যে ৫০০ থেকে ৬০০ মুসলমান সিরিয়া এবং ইরাকে যুদ্ধ করছেন আইএস-এর পক্ষে। যার একটি অংশ সরাসরি যুদ্ধে নেই। সেই অংশটি নারী এবং তারা যোদ্ধাদের আরামপ্রদতা হিসেবে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দেশের গোয়েন্দা সূত্র।
গত জুন মাসে এই জিহাদ আল নিকা বা বৈবাহিক জিহাদের ডাক দেয়া হয়েছিল আইএস-এর পক্ষ্য থেকে। তারা মুসলমানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল, তাদের কুমারী কন্যাদের বৈবাহিক জিহাদের জন্য ইসলামিক রাষ্ট্রে পাঠাতে৷