শরীর স্বাস্থ্য ডেস্ক: ডিমের হলুদ অংশ তথা কুসুমের কোলেস্টেরোল এবং তা আমাদের শরীরের কোলেস্টেরোলের মাত্রায় কতটা নেতিবাচক পরিবর্তন আনে, তা নিয়ে নানা গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। বিতর্কও হয়নি কম। বেশ কয়েকবার এক গবেষণার ফলাফলের সঙ্গে অন্য গবেষণার ফলাফলের বৈপরীত্য লক্ষ করা গেছে।
তবে নতুন বহু গবেষণায় দাবি করা হচ্ছে, যদি আপনি আপনার বয়স ও শরীরের চাহিদার কথা মাথায় রেখে পরিমিত ও নিয়ন্ত্রিতভাবে ডিমের কুসুম খান, তাতে কোলেস্টেরোলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। এ খবর দিয়েছে অনলাইন হিন্দুস্তান টাইমস। তবে কোলেস্টেরোল ছাড়া ডিমে অন্য পুষ্টি উপাদানসমূহের ব্যাপারে একটু পর্যালোচনা করা যাক। ডিমের সাদা অংশে রয়েছে প্রোটিন। ডিমের সাদা ও হলুদ অংশে প্রায় সমপরিমাণ প্রোটিন রয়েছে।
এছাড়াও রয়েছে ‘বি’ ভিটামিনসমূহ, আয়রন, আয়োডিন, চোলিন ও অন্যান্য ছোটখাট পুষ্টি উপাদানসমূহ। প্রতিটি পুষ্টি উপাদানই বেশ কার্যকর এবং ডিমের দুটি অংশেই এগুলোর পরিমাণ প্রায় সমান। ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে যদি হলুদ অংশের সে ধরনের পার্থক্য নাই থাকে, তবে কেন কুসুম খাওয়া বাদ দেবেন! বয়স এবং আপনার শারীরিক অবস্থা বুঝে পুরো ডিমটাই হয়তো খেতে পারেন। পরিমিত আহারে ঝুঁকি থাকে না। তাই নিজে সচেতন হলেই যথেষ্ট। যদি কুসুম ছাড়া ডিম ভাজা হয়, তবে ডিমের স্বাদটাই পাওয়া যায় না। সেদ্ধ ডিমের ক্ষেত্রে অনেকেই কুসুম বাদ দেন।
বরং, লবণ খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিন। কাঁচা লবণ পরিহার করুন। ডিমের হলুদ অংশ বাদ দেয়ার আগে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে নিজে ধারণা নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন। তারপর সিদ্ধান্ত নিন কুসুম ছাড়া ডিম খাবেন কিনা এবং আপনার বয়স ও শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী ডিম কতটুকু খাওয়া যেতে পারে।