শীর্ষবিন্দু নিউজ ডেস্ক: ভারতীয়দের কাছে তিনি ক্রিকেটের ঈশ্বর; বিশ্ব ক্রিকেটের মহানায়ক। সেই শচীন টেন্ডুলকারকে হাতের কাছে পেয়ে আনন্দের সাগরে ভাসল নারায়ণগঞ্জের শিশু-কিশোররা। মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনল ক্রিকেট অধীশ্বরের একেকটা বাক্য। ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর পর এটিই তার প্রথম বাংলাদেশ সফর।
কেমন আছো বন্ধুরা? আমি ভালো আছি- বলছিলেন বাংলায়। নিজেদের ভাষায় তার কথা শুনে উল্লাসে ফেটে পড়ে শতশত শিশু-কিশোর। করতালির মাধ্যমে জানায় স্বাগত। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে স্যানিটেশন ও সামাজিক কার্যক্রম সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে তারাবো নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গিয়েছিলেন ইউনিসেফের এই বিশেষ দূত।
এর আগে হেলিকেপ্টার থেকে নেমেই বিশ্বরোড বালুর মাঠে একটি আম গাছের চারা রোপণ করেন তিনি। পরে স্কুল মাঠে উপস্থিত শিশু-কিশোরদের উদ্দেশ্যে করেন বলেন, আমি এসেছি তোমাদেরকে স্যানিটেশন ও গাছ লাগানো সম্পর্কে কিছু শেখাতে। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে কয়েকজন স্কুল শিক্ষার্থীকে স্যানিটেশন পদ্ধতিতে হাত ধোয়া শেখান শচীন। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার হাতে তুলে দেন আএফআইসি ব্যাংকের দেওয়া পাঁচ লাখ টাকার একটি চেক।
শচীন মূলত ঢাকায় এসেছেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগের ক্লাব গাজী ট্যাঙ্কের পরিবর্তিত নাম লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ ও এর নতুন লোগো উন্মোচন করতে। দলটির চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান বাদলের ব্যক্তিগত আমন্ত্রণেই বাংলাদেশে আসেন তিনি। বিকেলে ঢাকার একটি হোটেলে লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ লেগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে অংশ নেন টেন্ডুলকার। আবার রাতে ফ্লাইটে ফির যান নিজ দেশে।