খুররম জামান: ভারতকে ট্রানজিট দেওয়ার পথে বাংলাদেশ। অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার পর অবকাঠামোগত উন্নয়ন শেষে ট্রানজিট দেওয়া হবে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আভাস দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার সকাল সোয়া ১১টায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগামী ২৫ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতে দ্বিপাক্ষিক সফর উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আভাস দেওয়া হয়।
এই ট্রানজিট চালু হলে বাংলাদেশই সবচেয়ে লাভবান হবে। আশা করি, ট্রানজিট সুবিধা শিগগিরই চালু হবে। এতে করে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের গুরুত্ব আরো বেড়ে যাবে, পঙ্কজ শরণের এ বক্তব্য উল্লেখ করে বাংলানিউজের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, তাহলে ভারতকে ট্রানজিট দিচ্ছে বাংলাদেশ।
এ বক্তব্যের জবাব পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি না দিয়ে মিনিট দুয়েক পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হকের সঙ্গে আলাপ করেন। এরপর পররাষ্ট্র সচিব নিজেই এর উত্তর দেন।
এ সময় পররাষ্ট্র সচিব অসম্মতি প্রকাশ না করে বলেন, অর্থ পেলেই স্থল (ল্যান্ড) বন্দর অবকাঠামোর তৈরির কাজ শুরু হবে।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ১ হাজার ৮৫০ কোটি ৯০ লাখ টাকা, মংলা সমুদ্র বন্দরের উন্নয়নে ২ হাজার ৭৯৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং স্থলবন্দরের উন্নয়নে ১৫০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়।
ভারতের হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ আখাউড়া বন্দর পরিদর্শন করে ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের মধ্যে শিগগিরই ট্রানজিট চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।