বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১০

মালয়েশিয়ায় স্থায়ী হোন বিজনেস রেসিডেন্স ভিসায়

মালয়েশিয়ায় স্থায়ী হোন বিজনেস রেসিডেন্স ভিসায়

নিউজ ডেস্ক: অন্যান্য দেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মালয়েশিয়ায়ও বেশ শক্ত অবস্থানে আছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক ভালো থাকায় এখানে ব্যবসা করে লাভবান হচ্ছেন অনেকেই।

শুধু টাইমস স্কয়ার, লয়েট প্লাজা, চায়না মার্কেট বা ওল্ড টাউনই নয়, কুয়ালালামপুরের বুকিত বিনতান আর কোতোরায়াতেও বেশ সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করেছেন বাংলাদেশিরা।

আবার পেনাং বা মালাক্কার মতো পর্যটন শহরগুলোতেও রয়েছে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আধিপত্য।

বিজনেস রেসিডেন্স ভিসা

মালয়েশিয়ায় ব্যবসায়ীদের জন্যে রয়েছে বিজনেস রেসিডেন্স ভিসা। বিজনেস ভিসাধারী প্রবাসীরা মালয় নাগরিকের প্রায় সমান সুযোগ-সুবিধা পাবেন। তাদের মালয়েশিয়ায় ট্যাক্স পেয়ার সিটিজেন হিসেবে সম্মান দেওয়া হয়।

ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্ট লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় শিক্ষিত বাংলাদেশি, উচ্চ প্রোফাইলধারী ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, রাজনীতিক, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাদের এ ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সেবা দিচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির কর্নধার অ্যাডভোকেট রাজু আহমেদ জানান, বিজনেস ভিসার আবেদন করার জন্য নিজের স্বাক্ষর করা জীবনবৃত্তান্ত, শিক্ষা জীবনের সর্বশেষ পরীক্ষায় উত্তীর্ণের সার্টিফিকেটের ফটোকপি, কাজের অভিজ্ঞতা এবং পরিবারের বিস্তারিত তথ্য (স্ত্রী ও সন্তানদের) জমা দিতে হবে।

সঙ্গে দিতে হবে সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ৬ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। এছাড়াও পাসপোর্টের সব পাতার ফটোকপি লাগবে।

স্থানীয় কমিশনারের স্বাক্ষর করা চারিত্রিক সনদপত্রও লাগবে। এছাড়া দেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট এবং স্থানীয় টেলিফোন বা বিদ্যুতের ইউটিলিটি বিল প্রয়োজন হবে বলে জানান তিনি।

অ্যাডভোকেট রাজু বলেন, ব্যবসায়ী রেসিডেন্স ভিসার জন্যে কোম্পানি লাইসেন্সের প্রয়োজন হয়। এ লাইসেন্স পেতে প্রার্থীর নামে ট্যাক্স রেজিস্ট্রেশন করে দিতে হয় কনসালটেন্ট ফার্মকে। অনুমোদিত কোম্পানির মাধ্যমেই সরকারি দপ্তর থেকে লোকাল কোম্পানির লাইসেন্স নিতে হবে।

এছাড়া আইনজীবী কোম্পানি এবং জয়েন্ট স্টক কোম্পানির অনুমোদনও নিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব থাকে কনসালটেন্টের ওপর।

সব কাগজপত্র ঠিক থাকলে ৩০ থেকে ৪০ দিনের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। কাগজপত্র ঠিক হয়ে গেলে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন অফিস এজেন্টের মাধ্যমে প্রার্থীকে তলব করে। তখনই মালয়েশিয়া পৌঁছে ইমিগ্রেশনে যেতে হয় প্রার্থীকে।

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন অফিসে একঘণ্টার মধ্যেই ভিসা হাতে দেওয়া হয়।

এদিকে এখানে দেশি-বিদেশি দালালের খপ্পড়ে পড়ে অনেকেই সর্বস্ব হারানোর অভিযোগ রয়েছে। অসংখ্য দালাল এজেন্ট বিভিন্ন প্রার্থীর কাগজপত্র জাল করে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনে জমা দিয়ে থাকে।

ফলে নিরীহ প্রার্থীদের নাম ও পাসপোর্ট নম্বর কালো তালিকাভুক্ত হওয়ায় তারা আর ভিসা পান না। তাই কনসালটেন্ট ফার্মের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ভিসা প্রসেসিংয়ের বিষয়গুলো আগে জেনে নেওয়া ভালো।

তিনি বলেন, অন্যায়ের আশ্রয় না নিয়ে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কাগজপত্র দাখিল করলে কোনো প্রার্থীর আবেদনের ফাইল রিজেক্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। এক্ষেত্রে সততা বড় বিষয়।

অ্যাডভোকেট রাজু বলেন, ভালো কনসালটেন্ট মূলত মালয়েশিয়ার হালনাগাদ কাগজপত্র ও সরকারি দপ্তর থেকে অনুমোদন নিয়ে বাংলাদেশি প্রার্থীদের রেসিডেন্স অনুমোদন দেওয়ার কাজে লাগায়।

বিজনেস রেসিডেন্স ভিসা এবং করণীয় সর্ম্পকে www.wwbmc.com ওয়েবসাইটে বিস্তারিত জানা যাবে।

এছাড়া advahmed@outlook.com  এবং Raju.advocate2014@gmail.com ঠিকানায় মেইল করেও বিস্তারিত জানা যাবে।




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026