সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই জমে উঠেছে প্রার্থীদের প্রচারণা। ঘড়ির কাঁটায় দুপুর ২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থীদের প্রচরণায় মুখর হয়ে ওঠে নগরী। প্রতিদিন দুপুর দুইটা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নগরীর অলিতে গলিতে মাইকেই চলছে প্রচারণা।
নগরীর মাইক ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, প্রতিদিন মাইক প্রতি তিন থেকে পাঁচশ টাকা করে ভারা দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন যতো ঘনিয়ে আসছে, মাইকের চাহিদা ততো বাড়ছে। ফলে সময় ও চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মাইক ভাড়াও বৃদ্ধি পাচ্ছে। নির্বাচনের কাছাকাছি সময়ে ভাড়া বেড়ে এক হাজারও হতে পারে। জানা যায়, নগরীতে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেমের নিবন্ধিত ৩৪টি দোকান রয়েছে। নিবন্ধন ছাড়া রয়েছে আরো আট/১০টি দোকান।
অন্য আরো এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক মন্দা ও নির্বাচনের কঠোরতার কারণে প্রার্থীরা মাইকের ব্যবহার করছেন কম। তবে দু’একদিনের মধ্যে চাহিদা আরো বেড়ে যাবে। নগরীর বিভিন্ন মার্কেটে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেমের দোকানের মধ্যে রয়েছে- ফ্লাস, চলন্তিকা, উত্তম, আওয়াজ, পার্বন, তারেক মাইক, শাহজালাল, জনতা, দিগন্ত, সুরমা, ওয়ান, সিমফোনী, হৃদয়, এসবি, নিউ আলো, নদী, সিটি, সাউন্ড লিংক, সারেগামা, প্রগতি ও আনন্দ ইত্যাদি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হওয়ায় নগরীর বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মাইক ব্যবসায়ী ও ঘোষকরা নিজ উদ্যোগে শহরের বাইরে থেকে চুক্তিভিত্তিক মাইক নিয়ে আসছে। ফলে নগরীর স্থায়ী ব্যবসায় খড়গ নামছে। এ ব্যাপারে নগরীর আম্বরখানা জনতা মাইক অ্যান্ড সাউন্ড সিস্টেমের পরিচালক মহেষ ঘোষ জানান, তার দোকান থেকে প্রতিদিন ১৫/২০ সেট মাইক ভাড়া যাচ্ছে। অন্য সময়ের তুলনায় এবার ব্যবসা কম হচ্ছে বলে জানান তিনি। এজন্য তিনি কম প্রার্থী ও নির্বাচন কমিশনের কঠোর নীতিমালাকে দায়ী করছেন। এ কারণে প্রার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মাইকে প্রচারণার সুযোগ পাচ্ছেন। একাধিক মাইক ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন না তারা।
Leave a Reply