শীর্ষবিন্দু নিউজ: সকাল থেকে চলছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। উৎসবমুখর এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে। সিলেট নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা ভোটারদেরও নবীনদের সঙ্গে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। একটু স্বস্তি ও আরামে বসে অপেক্ষা করার ব্যবস্থা নেই কোনো কেন্দ্রে। শনিবার দুপুরে হামিদা খানমকে লাইন না দাঁড়িয়েই ভোট প্রদানের অনুমতি দিয়েছেন প্রিজাইডিং অফিসার। ফলে তেমন সমস্যায় পড়তে হয়নি এই বৃদ্ধাকে।
হামিদা খানম নামক এই বৃদ্ধ মহিলা বয়সের ভারে ছেলের কোলে চড়ে ভোটকেন্দ্রে এসে ইভিএমে ভোট দিয়েছেন। ছেলে সিলেটের বিশিষ্ট যুব সংগঠক এহসানুল হক তাহের তার মাকে কোলে করে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে এসেছেন। প্রিজাইডিং অফিসারদের সহযোগিতায় লাইন না দাঁড়িয়েই কোলে চড়ে ভোট দিয়ে বেরও হলেন হামিদা।
প্রচন্ড গরমে মির্জা জাঙ্গাল ও রসময় মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, স্বতঃস্ফূর্ত ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চললেও বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা ভোটাররা পড়েছেন মুশকিলে। বয়সের ভারে অনেকেরই দাঁড়ানোর মতো শক্তি নেই। কিন্তু ভোটকেন্দ্রগুলোতে বসে থাকার মত কোনো বেঞ্চ বা অন্য কোনো ব্যবস্থা না থাকায় কষ্ট হচ্ছে তাদের।
নগরীর মনিপুরা রাজবাড়ির বৃদ্ধা ভোটার মিনতি দেবী, শিখা দেবীও সরকারের কাছে আরেকটু সহযোগিতা চেয়েছেন ভোট প্রদানের জন্যে। তারা বলেন, এই গরমে এতোক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে থেকেও ভোট প্রদান করতে পারিনি। একটু বসার জায়গা হলে ভালো হতো। স্কুলে বেঞ্চের অভাব নেই। কয়েকটি বেঞ্চ বয়স্ক ভোটারদের অপেক্ষার জন্যে দেওয়া হলে তা ভালো হতো বলেও মত দেন তারা। বয়স্কদের জন্য আলাদা বুথের কথাও বলেন এই দুই বৃদ্ধা।
Leave a Reply