রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ০৫:৪৪

টিকফার খসড়া অনুমোদন দিল সরকার

টিকফার খসড়া অনুমোদন দিল সরকার

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শীর্ষবিন্দু নিউজ: সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিভিন্ন বাম দলের বিরোধিতার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও সহযোগিতা চুক্তির (টিকফা) খসড়া অনুমোদিত হয়েছে। ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কোঅপারেশন ফোরাম এগ্রিমেন্টের খসড়ায় এই অনুমাদন দেয়া হয়  সরকার।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য, বিশেষ করে তৈরি পোশাকের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের দাবি দীর্ঘ দিনের। স্বল্পোন্নত দেশ হওয়ার পরও বাংলাদেশ এ সুবিধাটি পাচ্ছে না টিকফা চুক্তি না হওয়ার কারণে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে,এ চুক্তি হলে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি কয়েকগুণ বাড়বে। তবে বিভিন্ন বাম দল এই চুক্তির বিরোধিতায় বলে আসছে, মেধাসত্ব আইনের কঠোর বাস্তবায়ন হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের বড় কোম্পানিগুলোর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হবে। এই চুক্তি এসব কোম্পানিকে মাত্রাতিরিক্ত মুনাফা করার সুযোগ করে দেবে।

চুক্তি হওয়ার পর এই ফোরামে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কে নিয়মিত আলোচনা হবে। বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসটিআর ( ইউনাইটেড স্টেট ট্রেড রিপ্রেজেনটেটিভ) বছরে অন্তত একবার বৈঠকে বসবে। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্মতির পরই এ খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।… দুই দেশের নিজস্ব আইন ও পদ্ধতি অনুসরণ করেই এ চুক্তি বাস্তবায়ন করা হবে।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ২০০২ সালে এ চুক্তির খসড়া প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু হলেও আলোচনা শুরু হয় আরো আগে। তবে দুর্নীতি, মেধাস্বত্ব ও শ্রমিক অধিকার নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে এর প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়। শুরুতে এ চুক্তির নাম ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট’ হওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন মহলের সমালোচনায় এরসঙ্গে কোঅপারেশন শব্দটি যুক্ত করা হয় এবং ‘ফ্রেমওয়ার্ক’ শব্দটি বদলে দেয়া হয় ফোরাম শব্দটি দিয়ে।

বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব  মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের জানান, এই চুক্তি হওয়ার পর ব্যবসা ও বিনিয়েগের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ সঙ্কুচিত হবে। চুক্তির খসড়ায় ১৬টি অনুচ্ছেদ ও সাতটি আর্টিকেল থাকছে। এই দ্বি-পক্ষীয় ফোরামের কাঠামো, কার্যপদ্ধতি এবং ফোরামে কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হবে তা বলা হয়েছে এসব আর্টিকেলে। এই ফোরামে বেসরকারি খাত ও সুশীল সমাজের সঙ্গে পরামর্শ করারও সুযোগ থাকবে বলে সচিব জানান।

এ চুক্তির খসড়া অনুমোদনে কোনো চাপ ছিল কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কোনো চাপ ছিল না। মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে চাপের কথা কেউ বলেননি। এ চুক্তি হলে জিএসপিতে কোনো সুবিধা পাওয়া যাবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, জিএসপির সাথে এর কোনো সম্পর্ক্য নেই, তবে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা জোরদার হলে জিএসপিতে প্রভাব পড়বে।

 




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2024