সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০০

ড্রোন ওড়ানোর নীতিমালা

ড্রোন ওড়ানোর নীতিমালা

প্রযুক্তি আকাশ ডেস্ক: চালকহীন বিমান ড্রোনের বাণিজ্যিক ব্যবহার যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে দুর্ঘটনার সংখ্যা। মুক্ত আকাশে উড়তে গিয়ে প্রায়ই আকাশচারী প্রাণীর সঙ্গে সংঘর্ষ হচ্ছে ড্রোনের। এমন সংঘর্ষের ফলে প্রাণিকুলের বিপদ বাড়ছে, চলাচলেও অসুবিধা হচ্ছে। এ থেকে মুক্তির উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন দুই অস্ট্রেলীয় গবেষক। কীভাবে ড্রোন ওড়ালে প্রাণিকুলের জন্য বিপদের কারণ হবে না, তারই একটি নীতিমালা প্রণয়ন করেছেন তাঁরা।

কারেন্ট বায়োলজি জার্নালে প্রকাশিত এই নীতিমালা প্রণয়ন করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডিলেডের আনম্যানড রিসার্চ এয়ারক্রাফট ফ্যাসিলিটির (ইউআরএএফ) গবেষক জ্যারোড হজসন এবং ইউআরএএফের পরিচালক লিয়ান পিন কোহ। অনেক দিন ধরেই বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষণে তাঁরা ড্রোন ব্যবহার করছেন। দুজনেরই ধারণা আশানুরূপ ফল পেতে আরও অনেক কিছু করতে হবে।

বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষণে ড্রোনের ব্যবহার জরুরি, তবে কাছাকাছি অভয়ারণ্য থাকলে কিংবা চলার পথে কোনো প্রাণী পড়ে গেলে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এই নীতিমালায়। আর যেসব পথ পরিষ্কারভাবেই প্রাণিকুলের চলাচলের পথের সঙ্গে মিলে যায় তা বন্ধ করে দেওয়া জরুরি বলেও উল্লেখ করা হয়।

এই গবেষকেরা বন্যপ্রাণীদের খুব কাছাকাছি ড্রোন নিয়ে গিয়ে তাদের প্রতিক্রিয়া দেখার চেষ্টা করেছেন। এতে দেখা যায়, কিছু কিছু প্রাণীর হৃৎস্পন্দন এবং মনের ওপর এটি প্রভাব বিস্তার করে। আবার পাখির বাসার কাছে ড্রোন নিয়ে গেলে কী হয়—সে ব্যাপারে হজসন বলেন, পাখিটি হয়তো সেখান থেকে উড়ে পালিয়ে যাবে, এমনকি পাখিটি সেই বাসা স্থায়ীভাবে পরিত্যাগও করতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দেশনা জারি করেনি। তবে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো ড্রোন থেকে প্রাণিকুলের জীবন রক্ষায় নীতিমালা জারি করছে। হজসন বলেন, ‘কেউ হয়তো ইচ্ছে করে প্রাণীদের ক্ষতি করে না, কিন্তু সতর্কতা বাড়ালে জনগণ বুঝতে পারবে তাদের কাজের ফলাফল কেমন হতে পারে।’




Comments are closed.



পুরানো সংবাদ সংগ্রহ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
All rights reserved © shirshobindu.com 2012-2026