তৃতীয় সেশনে সিকান্দার রাজার বল উঠিয়ে মারতে গিয়ে তামিম হ্যামিল্টন মাসাকাদজার চমৎকার ক্যাচে পরিণত হলে ভাঙে ৬৩.৫ ওভার স্থায়ী ২২৪ রানের জুটি। বাংলাদেশের এটাই প্রথম দুইশ’ রানের উদ্বোধনী জুটি। ১০৯ রান করা তামিমের ১৭১ বলের ইনিংসটি ১৪টি চার ও ১টি ছক্কা সমৃদ্ধ। চট্টগ্রামে এটি তামিমের প্রথম শতক, সব মিলিয়ে ষষ্ঠ। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ৬টি শতকের অধিকারী মোহাম্মদ আশরাফুলের পাশে বসলেন তামিম। রেকর্ড জুটি ভেঙে তামিমের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টেকেননি ইমরুলও। তবে বিদায় নেয়ার আগে মুমিনুলের সঙ্গে ৪৮ রানের জুটি গড়েন তিনি।
হ্যামিল্টনের বলে বদলি ফিল্ডার ভুসি সিবান্দার ক্যাচে পরিণত হলে শেষ হয় ইমরুলের ১৩০ রানের ইনিংসটি। এটি তার দ্বিতীয় টেস্ট শতক। তার ২৫৭ বলের ইনিংসটি গড়া ১২টি চার ও ২টি ছক্কায়। শতকে পৌছানোর পথে ভাগ্যেরও একটু সহায়তা পান ইমরুল। ব্যক্তিগত ১৯ রানে নাটসাই মুশাংওয়ের বলে স্কয়ার লেগে সহজ ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান তিনি।
জিম্বাবুয়ের হ্যামিল্টন ও রাজা একটি করে উইকেট নেন। ঢাকা ও খুলনায় প্রথম দুই ম্যাচ জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ৩০৩/২ (তামিম ১০৯, ইমরুল ১৩০, মুমিনুল ৪৬*, মাহমুদুল্লাহ ৫*; হ্যামিল্টন ১/৩, রাজা ১/৭৪)