মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ আল মামুন: সংযুক্ত আরব আমিরাতে আট থেকে নয় লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি বসবাস করছেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশি পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। গত অর্থবছরে দুবাই থেকে রফতানি খাতে বাংলাদেশের প্রায় পাঁচগুণ আয় বেড়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে আমিরাতে ৭০টির বেশি পণ্য রফতানি করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সবজি, চিংড়ি, মাছ, ফল, বিস্কুট, চামড়াজাত পণ্য, গার্মেন্টস এবং টেক্সটাইল।
দুবাইয়ে নিযুক্ত কর্মাশিয়াল কাউন্সিলর ড. মাহমুদুল হক জানান, ভিসা বন্ধের সঙ্গে আমদানি-রফতানির কোনো সম্পর্ক নেই, তবে বাংলাদেশিদের ভিসা স্থগিত থাকায় ব্যবসায়ীরা সহজে ভিসা পাচ্ছেন না। এতে বাণিজ্যের দিক থেকে ব্যবসায়ীরা আগ্রহ হারাচ্ছেন।
এছাড়া বাংলাদেশের প্যাকেটজাত পণ্যের চাহিদা বেশি থাকায় এসবের রফতানিও দিন দিন বাড়ছে। ড. মাহমুদুল হক জানান, আবুধাবী, দুবাই, শারজাহ, ফুজিরা, রাস-আল-খাইমা, আজমানসহ আরব আমিরাতের সব বিভাগে বাংলাদেশের পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সম্প্রতি আরও কয়েকটি দেশীয় কোম্পানি পণ্য রফতানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ব্যবসায়ীদের ভিসা প্রসেসিং আরও সহজ করলে এ খাতে আয় বাড়ানো সম্ভব বলেও মত দেন তিনি।
কর্মাশিয়াল কাউন্সিলর ড. মাহমুদুল হক বলেন, বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের পণ্য আমাদানি-রফতানির জন্য উৎসাহ দিয়ে আসছি আমরা। পাশাপাশি আমিরাত সরকারকেও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করতে অনুরোধ করেছি। পণ্যের গুণগত মান যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে কনস্যুলেট সরকারিভাবে ব্যবসায়ীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে বলেও জানান তিনি।