নিউজ ডেস্ক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আমরা ধরেই নিয়েছিলাম তারা ক্ষমা চাইবেন না। কিন্তু সকালের দিকে মুজাহিদ সাহেব যে আবেদন দিলেন তার শিরোনামেই আর্টিকেল ফর্টিনাইনের কথা ছিল। আর সালাউদ্দিন কাদের আবেদন করেছেন ইংরেজিতে। সেখানেও শেষ দিকে আর্টিকেল ফর্টিনাইনের কথা আছে।
তিনি বলেন, বলেন, কয়েক ঘণ্টা ধরে এ মন্ত্রণালয়, সে মন্ত্রণালয় গেলাম, ক্ষমা না চাইলে যাব কেন? রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় পরিবারের দাবি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের হয়তো নলেজের অভাব ছিল। আবেদন তো আমাদের কাছে এসেছে। তাদের জানার কথা নয়।
দুই যুদ্ধাপরাধী যে আবেদন করেছেন, তার প্রমাণ সরকারের হাতে আছে। পরিবার বললে তো হবে না। কারণ আমাদের কাছে চিঠিপত্র রয়েছে, প্রমাণ রয়েছে। তাদের লিখিত অ্যাপ্লিকেশন আমাদের হাতে রয়েছে। সেই অ্যাপ্লিকেশনের যৌক্তিকতা আছে কি না এবং অ্যাপ্লিকেশন যথার্থ হয়েছে কি না, সে ব্যাপারে আইনমন্ত্রীর ওপিনিয়ন নিয়েই আমরা বাকি কাজ করেছি। কাজেই এখানে আর কথা বলার অবকাশ নেই।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মুজাহিদ ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রাণ বাঁচাতে সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে ক্ষমার আবেদন করেছিলেন। তাদের পরিবার বিষয়টি অস্বীকার করলেও ‘কৌশল’ বের করার কম চেষ্টা তারা করেনি। সালাউদ্দিন কাদেরের ছেলে কোনো জায়গায় ছোটোছুটি করতে তো কম যায় নাই।
বিভিন্ন জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করেছে। তার পার্টি চিফের বাসায়ও গিয়েছে। শাস্তি মওকুফ করার জন্য কিংবা একটা কৌশল বের করার জন্য সবরকম প্রচেষ্টা তারা করেছেন।
ফাঁসি কার্যকরের প্রতিবাদে জামায়াতের ডাকা হরতালে জনগণ সাড়া দেবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।