অস্ট্রেলিয়ার পর এবার শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া তথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার কথা বিবেচনা করছে বৃটেন সরকার।
মঙ্গলবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার এ বিষয়ে সতর্ক করে বলেছেন, শিশুরা যেন অবিরাম স্ক্রলিং, উদ্বেগ ও তুলনার এক জগতে হারিয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে স্টারমার জানান, শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রবেশের বয়সসীমা এবং ‘ইনফিনিট স্ক্রলিং’-এর মতো আসক্তিকর ফিচার সীমিত করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর একদিন আগে লেবার সরকার জানায়, শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে কি না এবং তা বাস্তবায়নের সর্বোত্তম উপায় কী হতে পারেÑ এ বিষয়ে বিশ্বজুড়ে বিদ্যমান তথ্য ও অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করা হবে।
স্টারমার সাবস্ট্যাকে লিখেছেন, এটি অত্যন্ত জটিল একটি বিষয়, তাই যথাযথভাবে বিবেচনা করা জরুরি। সরকার জানিয়েছে, এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা নিতে মন্ত্রীরা অস্ট্রেলিয়া সফর করবেন। উল্লেখ্য, গত মাসে ১৬ বছরের নিচে শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে নজির স্থাপন করেছে অস্ট্রেলিয়া।
যুক্তরাজ্য সরকার এখনও নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা ঘোষণা করেনি। তবে বেশ কয়েকটি বিষয় বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছে।
বিশ্বজুড়ে সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও বিকাশে সোশ্যাল মিডিয়া এবং অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
সম্প্রতি অনলাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা তৈরি কনটেন্টের দ্রুত বিস্তার এসব উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। বিশেষ করে ইলন মাস্কের গ্রক এআই চ্যাটবট দ্বারা সম্মতি ছাড়াই যৌন ছবি তৈরির অভিযোগ উঠেছে। যার মধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্কদের ছবিও রয়েছে—যা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
Leave a Reply